ঢাকাWednesday , 30 October 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনায় সড়ক বিভাগের প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে অফিস ফাঁকির অভিযোগ 

Link Copied!

২৮ অক্টোবর ২০২৪ ইং সকাল ১১ টা। দৈনিক পাঞ্জেরীর এবারের অভিযান সড়ক ভবন, বয়রা, খুলনা। সওজ, সড়ক সার্কেল, সড়ক ভবন, বয়রা, খুলনা ( সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ) খুলনার কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকার নির্ধারিত সময়ে কেউ অফিস করছেন না। এমন অভিযোগ অনেক দিনের। অনেকে আবার নির্ধারিত সময়ের আগেই অফিস ত্যাগ করছেন। সরেজমিনে সওজ, সড়ক সার্কেল, সড়ক ভবন, বয়রা, খুলনার কার্যালয়ের গিয়ে দেখা যায়, ভবনের গেটে কোন নিরাপত্তা কর্মী নেই। তবে ভবনে ঢুকতে নিচতলায় ২ জন নিরাপত্তা কর্মী অলস সময় কাটাচ্ছেন। তারা দর্শনার্থীর নাম এবং মোবাইল নাম্বার লিখে রাখেন। সময় তখন সকাল ১১ টা। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলো উপরে কি আপনাদের স্যারেরা আছেন, তারা বলেন আছে। কিন্তু উপর তলায় গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। প্রায় প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর অফিস রুমে তখনো ঝুলছে তালা। সওজ, সড়ক সার্কেল, সড়ক ভবন, বয়রা, খুলনা ( সড়ক ও জনপথ বিভাগ ) সওজ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদ এবং সহকারী প্রকৌশলী ( সওজ ) সড়ক সার্কেল সাঈদ রহমানের অফিস কক্ষে তখনও তালা। সাধারণ শাখায়ও অনেক কর্মকর্তা অনুপস্থিত। উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের কক্ষ খোলা পেয়ে সেখানে ঢুকে দেখা যায় তিনিও অফিসে নেই। শুধুমাত্র কম্পিউটার অপারেটর একাই কাজ করছেন। কিছুক্ষণ পর উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান তার অফিস রুমে ঢুকলে তার কাছে জানতে হয় খুলনা সাতক্ষীরা-মহাসড়কের বেহাল দশা সম্পর্কে। তিনি বলেন, এটা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদ স্যার জানেন। আমি এ ব্যাপারে কিছুই বলতে পারব না। তার চলমান প্রকল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনিও উল্টাপাল্টা উত্তর দেন। সূত্র জানায়, তার অধীনে ৪ টি সাইডের সড়ক উন্নয়নের কাজ চলমান। সাইড পরিদর্শনে যান না প্রশ্ন করলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান বলেন, মাঝে মাঝে যাই। কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে বলেন, কাজ তো আপাতত বন্ধ। তবে আমার সাইডের কাজ চলছে এবং প্রতিটি কাজ ৫০% থেকে ৬০% সম্পন্ন হয়েছে। তবে তিনি তার সাইডগুলোর তথ্য সঠিকভাবে দিতে পারেননি।পরে তার রুমের কম্পিউটার অপারেটরকে বলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলা চালাতে। তিনি ক্রিকেট খেলা দেখবেন। তার রুম থেকে বের হওয়ার পর অন্যান্য শাখা ঘুরে দেখা যায়, সেখানেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি একেবারেই কম। যারা আছেন তারাও গল্প গুজবে ব্যস্ত। তাদের হাতে কোন কাজ নেই। ভবনের ৩ তলায়ও দেখা যায় একই চিত্র। সওজ, সড়ক সার্কেল, সড়ক ভবন, বয়রা খুলনার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদের অবস্থান সম্পর্কে এক প্রকৌশলীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, স্যার কোথায় আছেন তা বলতে পারব না। তবে শুনেছি ঢাকায় গেছেন। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদের অফিস স্টাফও কিছু বলতে পারেন না। এভাবেই চলছে সওজ, সড়ক সার্কেল, সড়ক ভবন, বয়রা খুলনার অফিস । সকাল ১১টায়ও প্রকৌশলীরা অফিসে আসেন না। খুলনা সড়ক সার্কেল (সওজ) আরেক সহকারি প্রকৌশলী সাঈদ রহমানের অবস্থান সম্পর্কেও জানতে চাওয়া হলে উপস্থিত একজন অফিস কর্মচারি সরল উত্তরে জানান, স্যার এখনও অফিসে আসেননি। অনুসন্ধানে জানা যায়, সওজ, সড়ক সার্কেল, সড়ক ভবন, বয়রা, খুলনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কেউই যথা সময়ে অফিস করেন না। তারা সবাই ইচ্ছে মতো অফিস করছেন। যখন ইচ্ছে হয় অফিসে আসেন আর যখন ইচ্ছে হয় চলে যান। কোন প্রকার জবাবদিহি নেই তাদের।