ঢাকাSunday , 20 October 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শরণখোলায় জোর করে প্রেম নিবেদনের অভিযোগ সহকারী শিক্ষিকার

Link Copied!

বাগেরহাটের শরণখোলায় সহকারি শিক্ষিকা নাজমা আক্তার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রেমের প্রস্তাব ও যৌননিপীড়নের অভিযোগ এনে তার প্রতিবাদে প্রধান শিক্ষককে রুমে তালা দিয়ে আটকিয়ে রেখেছেন এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে ঘটনাটি ঘটেছে ২০ অক্টোবর সকাল ৯ টার দিকে শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ৭৫নং উত্তর খোন্তকাটা মুকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ও পুলিশের সহযোগিতায় ওই ঘটনার সমাধান হয়। ভূক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ৭৫নং উত্তর খোন্তকাটা মুকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম, তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সহকারি শিক্ষিকা নাজমা আক্তারের সাথে প্রেমের সর্ম্পক করার চেষ্টা করে এবং তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। কিন্তু ওই শিক্ষিকা তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রবাসে থাকা নাজমার স্বামীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে তার সর্ম্পকে বিভিন্ন ধরনের কটুক্তি ও অপবাদ দেয় প্রধান শিক্ষক। এ ঘটনার জের ধরে ২০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে স্কুলে আসেন নাজমা এবং প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকে তার প্রতিবাদ করেন। কথাকাটাকাটির এক প্রর্যায় সহকারি শিক্ষিকা নাজমা সুকৌশলে প্রধান শিক্ষককে রুমের মধ্যে তালাবন্দি করে ডাক চিৎকার শুরু করেন। পরে স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও পাশ্ববর্তী এলাকার অভিভাবকগণ ছুটে আসেন। এ সময় অভিভাবকরা বিষয়টি শরণখোলা থানা পুলিশ ও শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। বিষয়টি শুনে ঘটনা স্থলে ছুটে আসেন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও শরণখোলা থানা পুলিশের একটি দল। পরে উভয়ের কাছ থেকে বিষয়টি শুনে তাৎক্ষনিকভাবে এটিও বিধান চন্দ্র প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলামকে ১০ দিনের ছুটিতে এবং সহকারী শিক্ষক নাজমা আক্তারকে খোন্তকাটা ইউনিয়নের ১০১নং জেডি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডেপুটেশনে প্রেরণ করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে স্থানীয়দের আশ্বস্ত করেন। এ ব্যাপারে সহকারী শিক্ষক নাজমা আক্তার বলেন, ২০২৩ সালের জানুয়ারী মাসে যোগদানের পর থেকে প্রধান শিক্ষক তাকে প্রেমের প্রস্তাবসহ যৌন নিপীড়ন করে আসছেন। কিন্তু বিষয়টি শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবহিত করলেও তিনি সুবিচার পাননি। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রন্ত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ফাঁসানোর জন্য একটি মহল নাজমাকে দিয়ে এ ষড়যন্ত্র করিয়েছে।এ বিষয় শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা বিধান চন্দ্র বলেন, তাদের মধ্যে প্রেমের বিষয়টি শুনে উভয়কে কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছে। এ ঘটনায় উভয়ের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে দোষ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয় শরণখোলা থানা পুলিশের ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনে পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা বিভাগ তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে তিনি জানান। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুদিপ্ত কুমার সিংহ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন তাৎক্ষনিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।