ছাত্র জনতার আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পূর্ববর্তী সময় থেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী থানা রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন উপ-পরিদর্শক আব্দুল জলিল। সাহসী ভূমিকার কারণে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের তাকে বিশেষ অর্থ সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করেন। জলিল জানান, ৫ আগষ্টের আগ থেকেই ইন্দুরকানী থানায় একাধিক বার হামলার চেষ্টা করে দুষ্কৃতিকারীদের একটি মহল। তবে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা ও সহকর্মীদের সহযোগিতায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করে এবং নিজস্ব বুদ্ধিমত্তায় ইন্দুরকানী থানা রক্ষা করতে সক্ষম হন। ওই সময় স্থানীয় সুশীল সমাজের সার্বিক সহযোগিতা পেয়েছিলেন বলেও জানান তিনি। তবে তার এই সাহসিকতা ও কর্তব্যনিষ্ঠা সহকর্মী এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। দুই সন্তানের জনক আব্দুল জলিল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালিচরনপুর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আনসার উদ্দিন মন্ডলের ছেলে। ৫ ভাই ও ৫ বোনের মধ্যে জলিল নবম। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন তিনি। পুলিশে যোগদানের পরে কাবাডি খেলায় বিশেষ অবদান রেখে বাংলাদেশ জাতীয় কাবাডি দলের সহ অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি জেলা কাবাডি দলের কোচ ও জেলা কাবাডি ফেডারেশনের রেফারির দায়িত্বও পালন করেন। পুরস্কার প্রাপ্তির পর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সহকর্মী ও স্থানীয় সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ যারা থানা রক্ষায় সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জলিল বলেন, এ স্বীকৃতি তাকে আরও বেশি দায়িত্বশীল এবং সাহসী হতে উদ্বুদ্ধ করবে।

