মদনপুর-জয়দেবপুর (এশিয়ান হাইওয়ে) মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে অসংখ্য খানাখন্দে সৃষ্টি হয়েছে। মদনপুর থেকে নয়াপুর দৈঘ্য ৪.৫০ কিলোমিটারের রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে যান চালাচলে মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, এই খানাখন্দ গর্তের কারনে প্রতিদিন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত জন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। মদনপুর থেকে নয়াপুর, নয়াপুর থেকে রুপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন ব্রীজ পর্যন্ত মহাসড়কের বেহাদশা। এতে করে প্রতিদিনই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা, আহত হচ্ছে যানবাহনে থাকা ড্রাইভার ও যাত্রীরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নয়াপুর বাজারের মহাসড়কে বিশাল বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ার ফলে যান চলাচলা ধীর গতিতে চলছে, এতে করে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকাবাসী জরুরি ভিত্তিতে রাস্তা সংস্কারের জোর দাবি জানায়। টানা কয়েক দিন বৃষ্টি হওয়ার ফলে খানাখন্দে পানি জমে থাকায় এ সড়কে চলাচলরত যানবাহন ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে। ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়েছে জয়দেবপুর এশিয়ান হাইওয়ে মহাসড়ক। এ মহাসড়ক দিয়েই চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহর থেকে পন্যবাহী কাভার্ডভ্যান, লরি, ট্রাক, যাত্রাবাহী বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন প্রকার যানবাহন চলাচল করে। গত ৩-৪ মাস যাবত রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে, একেকটা গর্ত ও খানাখন্দ জেনো কুপের মতো গভীর, স্হানীয় বাসিন্দারা রাস্তা সংস্কারের গাফিলতির জন্য মহাসড়কের কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে আসছে, নয়াপুর বাজারের দোকানদার মহসিন সরকারের সাথে কথা হলে তিনি আমাদের জানান, নয়াপুর বাজারের খানাখন্দের গর্ত গুলো এতটাই মারাত্মক, যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে প্রায় সময় গাড়ি উল্টে পড়ে যাচ্ছে, এমন সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল দুস্কর। এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নারায়নগঞ্জ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সাহানা ফেরদৌস মহাসড়কের খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, এ রাস্তাটি আমাদের অধীনে না, এটি হচ্ছে ঢাকা বাইপাসের অধীনে, তাদের সাথে আমার মিটিং করে কথা বলেছি, তারা দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করবে বলে অবহিত করেছে।

