ঢাকাWednesday , 25 September 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগেরহাটে চাঁদাবাজি ও মারপিটের মামলায় ৫ পৌর কাউন্সিলর গ্রেপ্তার

Link Copied!

বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভা শেষ করে বের হওয়ার পরে বাগেরহাট পৌরসভার ৫ কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই কার্যালয় চত্বর থেকে তাদের হেফাজাতে নেয় পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাগেরহাট জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ও বাগেরহাট পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রেজাউর রহমান মন্টু (৫৯), জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল হাশেম শিপন (৬০), জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ৪,৫,৬নং ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর তানিয়া খাতুন (৫৩), ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর কহিনুর বেগম (৬৩) এবং ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর আসমা আজাদ (৫২)। জানা যায়, পৌরসভার মেয়রকে অপসারণের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক ডা. মো. ফকরুল হাসান বাগেরহাট পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান। এদিন কাউন্সিলররা একটি সভায় যোগ দিতে ওই কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় স্থানীয় সরকার শাখায় যান। খবর পেয়ে বিএনপির বেশ কিছু নেতাকর্মী ওই কার্যালয় ও এর আশপাশে অবস্থান নিয়ে তাদের আটকের দাবি করেন। সেখান থেকে বের হবার সময় পুলিশ এসে তাদের হেফাজতে নেয়। বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৮ সেপ্টেম্বর বাগেরহাট সদর উপজেলার দেপাড়া গ্রামের আলতাফ মাহমুদ হাওলাদার বাদী হয়ে বাগেরহাট মডেল থানায় একটি চাঁদাবাজী, শ্লীলতাহানী ও মারপিটের মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ৪৫ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২৫-৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়। মামলায় বলা হয়, ৩ আগস্ট মামলার বাদী তার স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আসামীরা মুক্ষাইট মোড় এলাকায় তার গতিরোধ করে মারধর করে। এ সময় চাঁদা দাবি ও স্ত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটান তারা। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পরে আদালত তাদেরকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন। বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) রাসেলুর রহমান বলেন, বাগেরহাট সদর থানার একটি চাঁদাবাজির মামলায় তিন নারী ও দুই পুরুষ কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।