ঢাকাSunday , 8 September 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এই মুহুর্তে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নাই: আমীর খসরু

Link Copied!

অন্তর্বতীকালীন সরকারকে সহযোগিতায় ‘জাতীয় ঐক্যে’র আহ্বান জানিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার দুপুরে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘‘আমরা রাজনীতি করি, আমরা অনেক কথা বলি, অনেক বক্তব্য দেই, যার যার প্রেক্ষাপট থেকে আমাদের কথাগুলো বলি এবং বলব। কিন্তু বটম লাইন হচ্ছে, আজকে অন্তর্বতীকালীন সরকারকে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে আমাদেরকে সমর্থন করে কাজগুলো(সংস্কার) সম্পন্ন করতে হবে।”
‘‘ আমি যত কথাই বলি, জাতীয় ঐক্যের এই মুহুর্তে কোনো বিকল্প নাই। জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে যে শক্তি বাংলাদেশকে ধবংস করে দিয়েছে রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে…সেই শক্তিকে যদি পরাহত করতে হয় … জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে যে ঐক্যমত সৃষ্টি হয়েছে সেটাকে অক্ষুন্ন রাখতে হবে, বর্তমান অন্তর্বতীকালীন সরকারকে সমর্থন করতে হবে। আবার আমাদের কথাগুলো আমরা বলতে থাকবো।
খসরু বলেন, ‘‘ আমরা আশা করি, সবাই মিলে আগামী দিনে যে বাংলাদেশের মানুষকে তার মালিকানা ফিরিয়ে দেয়ার যে ওয়াদা করেছিলাম গত ১৫ বছর ধরে বক্তৃতায়, রাস্তায়, মৃত্যুর মধ্যে, গুম-খুনের মধ্যে, জেলের মধ্যে, মিথ্যা মামলার মধ্যে বলেছি,… বাংলাদেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে। ওই শেখ হাসিনা তার পরিবার যে মালিকানা কেড়ে নিয়েছিলো সেই মালিকানা যদি বাংলাদেশের মানুষকে ফিরিয়ে দিতে হয় সেইদিকে আমাদের কাজ করতে হবে।”
‘‘ যারা বাংলাদেশের মালিক তারাই সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ কিভাবে চলবে। আর আমরা যারা রাজনীতি করি আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলব আমরা তাদের জন্য কি করতে চাই, আমরা কি পরিবর্তন চাই আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলব…. তারাই সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ কোনা পথে চলবে… এর ব্যাতিক্রম হওয়ার কোনো সুযোগ নাই।”
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ের মিলনায়তনে এবি পার্টির উদ্যোগে ‘অন্তর্বতীকালীন সরকারের এক মাস: কেমন গেলো, কেমন যেতে পারতো’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা হয়।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘‘ এমন এক প্রেক্ষাপটে আমরা মিলিত হয়েছি…. আমাকে মান্না ভাই(মাহমুদুর রহমান মান্না) জিজ্ঞাসা করছিলেন, কেমন আছেন। আমি বলেছি, এক মাস তিন দিন আগের চেয়ে ভালো আছি। আসলে তো এক মাস তিন আগে তো আমি জেলের মধ্যে ছিলাম। আজকে ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ করে কেনো জানি মনে হলো আমি কি এখন জেলে আছি কিনা… আমি চারিদিকে তাঁকিয়ে দেখেছি… জেলের রুমে একটা রশিতে আমার টাওয়াল, পেন্ট-শার্টটা ঝুলত…ওইগুলো আছে কিনা দেখছি….। না আমি আসলে আমার বাসার বেড রুমে আছি।”
‘‘ এরকম একটা দুঃস্বপ্ন আমরা সবাই কাটিয়েছি। যারা অবস্থান থেকে আমরা সবাই গত ১৫/১৬/১৭ বছর… আসলে তো এটা শুরু হয়েছে ১৭ বছর আগে… ১/১১ প্রেত্মাতা তার ১৫ বছর পরে এটা আরও অব্যাহতভাবে ছিলো।আমাদের যে সাফারিং এটা ১৭ বছরে সাফারিং। শেখ হাসিনা ১/১১ জুলুম সেটাকে অন্য লেভেলে নিয়ে গিয়েছিলো। এতো সেক্রিফাইজের পর আমরা একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছি, একটি মুক্ত দেশ পেয়েছি, একটা মুক্ত আবহাওয়ায় কথা বলতে পারছি এবং কারো কোনো শঙ্কা নাই, সাংবাদিকদেরও শঙ্কা নাই।”
তিনি বলেন, ‘‘ এই যে মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। শেখ হাসিনা পলায়নের পরে বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে যে পরিবর্তন এসেছে সেটা আমাদেরকে বুঝতে হবে। এই মনোজগত হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায় পরিপূর্ণভাবে … দাঁড়ি কমা থাকবে না। বাংলাদেশের মুক্ত অবস্থায় বাঁচতে চায়, বাংলাদেশের মানুষ রাজনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে সমতল লেভেল প্ল্যায়িং ফিল্ড চাই। সকলের যাতে সমানভাবে অংশগ্রহন করতে পারে।
‘‘ বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৬৫% শতাংশের বয়স হচ্ছে ৩৫ বছরের নিচে। এটা ডেমোগ্রাফি। এই ৩৫ বছরের নিচে যে জনসংখ্যা তারা কি ভাবছে? তাদের প্রত্যাশা কি, তাদের আকাংখা কি… এটা আমরা যারা রাজনীতি করি আমাদেরকে বুঝতে হবে। এটা যারা বুঝবে না আমি দূঃখের সাথে বলছি, আগামী দিনের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে তাদের জন্য খুব বেশি জায়গা থাকবে বলে আমি মনে করিনা। আজকে যে অন্তর্বতীকালীন সরকার আছে তাদেরকে আমরা সহায়তা করতে চাই।”
গত ১৭ বছরের সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনসহ ছাত্র-জনতার বিপ্লবে যারা জীবন দিয়েছে, যারা রক্ত দিয়েছে, যারা পঙ্গু হয়েছে, যারা গুম হয়েছে, যারা চাকুরি হারিয়েছে, যারা ব্যবসা হারিয়েছে, যারা বাড়ি-ঘরে থাকতে পারেনি, যারা ধানক্ষেতে থেকেছে, ভেড়ি বাঁধে থেকেছে…. সীমাহীন কষ্টে ছিলো তাদের প্রতি সন্মান জানান তিনি।
অন্তর্বতীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘‘ আহ যখন তারা(সরকার) বলছেন, সংস্কার করব আমরা…ততদিন সময় দিন। তখন তো বলতে হবে… কি কি এজেন্ডা সংস্কারে আছে সেটা বলেন এবং তার জন্যে কয়দিন লাগবে সেটা বলেন। এই ব্যাপারে এই এক মাসে আমি কোনো লাইফ দেখতে পারছি না।”
‘‘ এখন হয়তবা তাদের কাছে আছে অথবা তারা মনে করছেন এখনই বলা যাবে না। এটা সত্যি যদি জাতীয় ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে না যান তাহলে কোনোদিনই সফল হবেন না। আমি এই প্রসঙ্গে মনে করি সরকারকে বিচার করা দরকার।”
তিনি বলেন, ‘‘ এক মাস নিশ্চয়ই মূল্যায়নের জন্য যথেষ্ট হয়। বাট স্টিল মোর বি শুড দ্য ডিড। যা দেখছি, তাতে প্রশ্নটা তৈরি হচ্ছে, সেটা বলছি। এটার জবাব যে আমরা পাবো তার তো কোনো সিস্টেম নাই, উনারা যে জবাব দেবেন এরকমও সিস্টেম নাই।”
‘‘ অতএব একটা ডিসক্লোজড সিস্টেম চালু করতে পারেন। আপনি যদি ফ্লাগ নিয়ে এনজিও‘র সঙ্গে কথা বলতে পারেন ঘন্টার ধরে, আপনি যদি ব্যবসায়ীদের ডেকে কথা বলতে পারেন যারা বিগত স্বৈরাচারের সাথে আপোষকামিতা করে বলেছেন, যত থাকবেন ততদিন তাকে থাকবো। তাহলে আমাদের সাথে কথা বলতে পারবেন না কেনো?”
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘‘ ত্রিশ দিন পার হয়েছে… এখন পর্যন্ত আপনারা কাজের কোনো এজেন্ডা প্রকাশ করেননি…. বাংলাদেশের মানুষ আমরা এখন পর্যন্ত জানতে পারেনি। আপনারা গুরুত্বপূর্ণ স্টেক হোল্ডার সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলাপ-আলোচনা করে কি কি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করতে হবে, কোথায় হাত দিতে হবে, কোথায় আমাদের পরিবর্তন করতে হবে একটা বুঝাপরা, একটা সমঝোতা … এটা তৈরি করে অন্তর্বতীকালীন সরকার একটা মডারেটর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।”
‘‘ এই কাজটা জরুরী ভাবে আপনাদের শুরু করা দরকার। এই কাজগুলোর মধ্যে আপনাদের টেইনুয়রে কোন কাজগুলো আপনারা করবে সে ব্যাপারে আপনারা একটা বুঝাপরা তৈরি করুন। কোন কাজগুলো… সংবিধানে অনেকগুলো সংশোধনী আনতে হবে, অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বুঝাপরা লাগবে, কোন কাজগুলো পরবর্তি নির্বাচিত সরকার জনগনের ম্যান্ডেট দিযে সরকার গঠন করবেন, কোনগুলো তারা বাস্তবায়িত করবে এব্যাপারেও একটা বুঝাপরা থাকা দরকার।”
তিনি বলেন, ‘‘ যারা এখন অন্তর্বতীকালীন সরকারে আছেন আপনাদের কাজ এবং এখতিয়ার সম্পর্কে আপনাদের পরিস্কার ধারণা থাকবে, বুঝাপরা থাকবে। আপনারা একটা দৌড় শুরু করেছেন কিন্তু কোথায় আপনারা থাকবেন, কোথায় আপনাদের যতি টানতে হবে, কোথায় বিরতি দিতে হবে এ ব্যাপারে আপনাদের পরিস্কার বুঝাপরা, পরিস্কার হিসাব থাকা দরকার।”
‘‘ রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, ছাত্র-তরুণরা আমরা সবাই আপনাদের পেছনে আছি… আপনারা সফল হবেন, সার্থক হবেন কিন্তু কোনো উস্কানিতে… আপনাদের অনেকে উস্কানি দেয়ার চেষ্টা করছে, বিভ্রান্ত করবার চেষ্টা করছে এগুলোতে জড়িয়ে পড়বেন না। আমি আশা করব, সরকার সফল হবেন, অন্তর্বতীকালীন সরকার সফল হলে বাংলাদেশে সম্ভব যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন হবে এবং এই নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ তার প্রয়োজনীয় স্ংস্কার পরিবর্তনের জন্য নতুন বন্দোবস্তের দিকে আমরা হাটতে পারব এবং বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার দিকে যাত্রা শুরু করতে পারবে।”
গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘‘ একটা দলকে আজকে ডাকেন নাই… সেই দলটি হচ্ছে জাতীয় পার্টি। এতো জামাই আদর কিসের? স্বৈরাচার এরশাদকে নয় বছরে আমরা পতন করলাম সেই এরশাদকে কোলে তুলে নিলো গত ১৭টি বছর… সেই জাতীয় পার্টি উপরেরটাও খাইল, গাছেরটাও খাইল, তলারটাও খাইল… মন্ত্রিত্ব নিলো সমস্ত রাষ্ট্রী সুযোগ সুবিধা নিলো।”
‘‘ এখন দেখতেছি তারা বলে, জুলাই বিপ্লবে আমরা বিবৃতি দিয়েছি, জুলাই বিপ্লবকে আমরা সমর্থন করেছি। আর তাদেরকে জামাই আদর দিয়ে সব জায়গায় ডাকা হচ্ছে। এটা মানা যায় না। এই পতিত স্বৈরাচারের সাথে যারা সহযোগী এই জাতীয় পার্টি একই দোষে দুষ্ট। তারা না থাকলে এতো শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে পারতো না।”
প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘‘ ১৪ দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন, আর জাতীয় পার্টির নেতারা আরাম আয়েশ করে, ভোগ-বিলাস করে এখন আবার অপেক্ষা করছে কার ঘাড়ে চাপবে?”
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘‘ আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ছাত্র-জনতার আকাংখা এই রাষ্ট্র হবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র… অন্য কেউ অন্য কিছু চিন্তা করেন বাংলাদেশে সেটা বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না।”
‘‘ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে এবং গণতান্ত্রিক সংবিধান হবে। এই লক্ষ্য ছাত্র-জনতার লক্ষ্য, এই লক্ষ্য ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রায় সামনে এসেছে। কাজেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, গণতান্ত্রিক সংবিধান কিভাবে অর্জন করা যাবে এটা কোনো একক দল কিংবা গোষ্ঠির প্রশ্ন না। বাংলাদেশে কিভাবে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং সংবিধান অর্জন করা যাবে তার জন্য প্রয়োজনীয় আলাপ-আলোচনা দরকার।”
তিনি বলেন, ‘‘ আমরা অন্তর্বতীকালীন সরকারকে বলব, অবিলম্বে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু করেন, রাজনৈতিক দল, শিক্ষার্থী, ছাত্র সমাজ এবং দেশের সকল শ্রেনী-পেশার সমস্ত অংশীজন স্টেকহোল্ডারদের সাথে নিয়ে আলোচনা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্যমত্য তৈরি করতে হবে কিভাবে আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং গণতান্ত্রিক সংবিধানে পৌঁছাব।”
‘‘ সেই কাজের শুরুটা আমরা দেখতে চাই। আমরা বলছি না, আগামীকালই কাজ হয়ে যাবে। কিন্তু আমরা মনে করি, এটার শুরুটা হওয়া দরকার অতিদ্রুততার সাথে যাতে করে বাংলাদেশের মানুষ তারা মনে করে সফল হবে।”
বলেন, ‘‘ আওয়ামী প্রেত্মাতা যারা আছে প্রশাসনসহ বিভিন্ন জায়গায় তাদের বিদায় না দিলে এই সরকার ব্যর্থ হবে। জাতি জানতে চায়, শেখ হাসিনা একজন ক্রিমিনাল কেইসের আসামী। তার বিচার বাংলাদেশে কিভাবে হবে সে ব্যাপারে সুস্পষ্টভাবে সরকারকে বলতে হবে।”
এবি পার্টির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় জাতীয় পার্টি(কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, খেলাফত মজলিশের অধ্যাপক আহমেদ আবদুল কাদের, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা আশরাফ আলী আকন্দ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের অ্যাডাভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, ন্যাশনাল পিপপলস পার্টির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণঅধিকার পরিষদের মিয়া মোহাম্মদ মশিউজ্জামান, এবি পার্টির আব্দুল ওহাব মিনার, বিএম নাজমুল হক, নাসরিন সুলতানা মিলি এবং রাষ্ট্র বিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।