ঢাকাSunday , 1 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘আগামীর কৃষক, ই-কৃষক’ ক্যাম্পেইনে ৩ লাখ কৃষক উপকৃত

Link Copied!

e-farmerনিজস্ব প্রতিবেদক : ‘কৃষি তথ্য নেয় যারা, কৃষি কাজে সফল তারা’ এই স্লোগানকে ধারন করে দেশব্যাপী ‘আগামীর কৃষক, ই-কৃষক’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।
গ্রামীণ যুব সমাজ এই তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (বিআইআইডি) এই ক্যাম্পেইন কার্যক্রম শুরু করেছে।
গ্রামীণফোন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ সহযোগিতায় ২০০৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইনের আওতায় খুলনা, যশোর, মানিকগঞ্জসহ সারা দেশের ৩৫০টি উপজেলায় ছড়িয়ে পড়ে। এসব উপজেলার মধ্যে ২০টি এলাকায় ইতোমধ্যে ৩ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন।
‘আগামীর কৃষক, ই-কৃষক’ ক্যাম্পেইন মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্য কেন্দ্রের প্রসার, কৃষকদের ক্ষমতায়ন ও স্টেক হোল্ডারদের প্রয়োজনীয সেবার একটি যথাযথ সমাধানের সুযোগ করে দেয়। এছাড়া মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে কৃষক তার কৃষি বিষয়ক তথ্য প্রযুক্তি সম্প্রসারণ সেবা গ্রহণ করে তার জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করে কৃষিকে একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।
এই ক্যাম্পেইনের আওতায় শনিবার বিকেলে সিংগাইর উপজেলার বায়রা বাজারে কমিউনিটি সেন্টারে ক্যাম্পেইনের নানা সফলতার গল্প এবং এ সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বায়রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান সোহেল সভাপতিত্ব করেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিআইআইডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহিদ উদ্দিন আকবর। তিনি বলেন, ‘বিআইআইডি ২০০৮ সাল থেকে আইসিটি ফোরডি (৪উ) ক্ষেত্রে কাজ করে আসছে এবং একই সাল থেকে ক্যাম্পেইনের কাজ করে আসছে যা ২০১০ সালে একটি সেবায় রুপান্তরিত হয়। পরবর্তীতে গ্রামীণ ফোন, ক্যাটলিস্ট এবং এসিআই লিমিটেডের সহযোগিতায় ই-কৃষক সেবা ৩৫০টি উপজেলায় ছড়িয়ে পড়ে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগামীর কৃষক, ই-কৃষক বিআইআইডি-এর একটি ক্যাম্পেইন যার মাধ্যমে শর্ট কোড ভিত্তিক ১৬২৫০ ই-কৃষক সেবা প্রচার করা হয়।’
শর্ট কোডের মাধ্যমে যেকোনো কৃষক ১৬২৫০ শর্ট কোড ব্যবহার করে ভয়েজ কল অথবা এসএমএসের মাধ্যমে সেবাটি পচ্ছে বলে তিনি জানান।
প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুমাইয়া নূর বলেন, ‘এই ক্যাম্পেইনের মাইলফলক হচ্ছে সামাজিক মিডিয়ার সম্পৃক্ততা; যা কৃষি ভিত্তিক প্রচারণার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়। শহর গ্রামীণ জনপদের শিক্ষার্থীরাই বিপুল উৎসাহ নিয়ে কৃষি খাতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার বিষয়ক আইডিয়া জমা দেয়। যা যথাযথ ব্যবহারে কৃষিখাতকে আরো সমৃদ্ধ করবে।’
মো. শহিদ উদ্দিন আকবর আরো বলেন, ‘ই-কৃষকের মাধ্যমে আগামীর কৃষক, ই-কৃষক সেবা চলবে এবং পরবর্তী পর্যায়ে স্মার্ট ভিলেজের মাধ্যমে এই কার্যক্রমকে প্রসারিত করা হবে।’
সিংগাইর উপজেলার উপ-কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল গফুর জানান, ‘অনেক কৃষক আছে তথ্য প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। আমাদের কাছ থেকে নতুন নতুন কৃষি কাজের তথ্য নিচ্ছে। যে যত বেশি তথ্য নেবে, কৃষক তত উপকৃত হবে।’
এ সময় বায়রা ইউপি সদস্য ও কৃষক মোশাররফ হোসেন, যুব কৃষক মো. মেহের আলী, যুব কৃষক আউয়াল, কলেজ ছাত্র খসরু নোমানসহ ৩৫ জন যুব কৃষক বিআইআইডির তথ্য নিয়ে কৃষি সেক্টরে বড় অবদান রাখার কথা স্বীকার করেন। এ সময় অনেক কৃষক বাজার ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেয়ার জন্য বিআইআইডির প্রতি অনুরোধ জানান।
স্থানীয় এসব কৃষকদের এই আহ্বানের জবাবে বিআইআইডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহিদ উদ্দিন আকবর শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা করে আগামী ৬ মাসের মধ্যে বাজার ব্যবস্থাপনার কাজ করার আশ্বাস দেন। যাতে কৃষক তার উৎপাদিত ফলস সরাসরি স্মার্ট ফোনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সঠিক মূল্য জেনে বিক্রি করতে পারবে।
মতবিনিময় সভা শেষে ই-কৃষক ক্যাম্পেইনের পরার্মশ অনুযায়ী বোরো ও ভুট্টা আবাদ করা মাঠ পরিদর্শন করা হয়।