বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘‘ আমরা পরিস্কার করে বলতে চাই, ৫৩/৫৪ বছরে পরে একটা জাতি রাষ্ট্র তাদের নিয়োগ পদ্ধতি কি হবে, মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতার ভিত্তিকে। এটা নিয়ে জাতির মধ্যে জাতীয় ঐক্যমত তৈরি হয়েছে। কোটা আন্দোলন ইতিমধ্যেই জনগনের মন স্পর্শ করেছে। ছাত্র-তরুণরা বাস্তবে সমগ্র জনগনের আকাংখাকে তারা এখন প্রতিনিধিত্ব করছে।”
‘‘ আমরা পরিস্কার করে বলতে চাই, এটা মামলা মোকাদ্দমার বিষয় না। এটা রাজনৈতিক বিষয়, এটা একটা প্রশাসনিক বিষয়। সুতরাং আজকে সরকারকে নীতিগতভাবে কোটা সংস্কারের দাবি গ্রহন করে খুব দ্রুত একটা কমিশন গঠন করে কিভাবে মেধার ভিত্তিতে আমাদের চাকুরি নিয়োগ হবে সেব্যাপারে একটা কার্যকর বিশ্বাসযোগ্য উদ্যোগ গ্রহন করবেন।”
ভারত ও চীনের সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘কোনো কিছুই নিয়ে আসতে পারেননি, খালি হাতে এসেছেন’ বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‘ চীন সফর সংক্ষিপ্ত করে তিনি(প্রধানমন্ত্রী) ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেছেন। সরকার ও সরকারি দলে কোনো হাসি নাই। ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কুটনীতিকরা খবর দিয়েছেন যে, ডাল ম্যা কুচ কালা হ্যায়।”
‘‘ প্রধানমন্ত্রী যে আশা নিয়ে বেজিংয়ে গিয়েছিলেন সেই আশা এবারও তার পুরণ হয়নি। ভারত থেকে যেমন কিছু আনতে পারেননি, তারা চীন থেকেও তাদের প্রত্যাশা মতন কোনো কিছুই বাস্তবে আনতে পারেননি। আমি মাঝে-মধ্যে বলি একটা কথা আছে যে, ব্যক্তি একই সাথে দুইটা খরঘোশের পেছনে দৌঁড়ায় সেই একটা খরঘোশও শেষে ধরতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী দুই খরঘোশের পেছনে দৌঁড়াতে যেয়ে তার আম ও ছালা দুইটো এখন যাওয়ার জোগাড় হয়েছে।”

