নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘‘ আমরা যে কর্মসূচি দিয়েছি ৩১ দফার… এই ৩১ দফা একটা চৎমকার কর্মসূচি। কিন্তু কি কি কনস্টিটিউশনার পরিবর্তন আনলে মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার পাবে সেই কথা কি মানুষ ভালো করে বুঝে? সাধারণ মানুষ বরংঞ্চ সিএমএম কোর্টে গেলে বুঝা যায়- কত বড় অনাচার চলছে। কারণ তার উচিত জামিন… সেই জামিন দেয় না। কারণ ঘুষ না দিলে কোনো কাজ হয় না। তারা মনে করে এটার কি রকম করে পরিবর্তন করা যায়।”
‘‘ আমাদের এজন্য আরও কথা আসছে…. যেরকম করে যুক্তফ্রন্ট হয়েছে, যেরকম করে কংগ্রেস কর্মসূচি দিয়েছে, যেরকম করে কিজরিওয়াল দিয়েছে, সেই রকম করে এমন কর্মসূচি হতে হবে এমনও হতে পারে এই যে কোটার দাবি সেটাও আমাদের দাবিনামার মধ্যে আসতে পারে যাতে ছাত্রদেরও আমরা অন্তর্ভুক্ত করতে পারি এবং বড় আন্দোলনের পথে পা বাড়াতে পারি।আমাদের সবাইকে মিলে লড়াইটা করতে হবে। সেই লড়াইটা হচ্ছে এই সরকারের পতন।যেরকম করে ছাত্ররা গতকাল ব্যারিকেডে ভেঙেছে, সেরকম করে লড়াইয়ের চিন্তা করি…। ”

