ঢাকাFriday , 27 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অভিজিৎ হত্যায় মান্না-খোকার ফোনালাপের যোগসূত্র রয়েছে

Link Copied!

A.leegeনিজস্ব প্রতিবেক : ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যার সঙ্গে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার ফোনালাপের যোগসূত্র রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ১৪ দল।
শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির কার্যালয়ে বৈঠক শেষে ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন আগে মান্না ও খোকার ফোনালাপে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলার কথা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাল একজনকে হত্যা করা হয়েছে। আর এর হত্যার পেছনে এদের যোগসূত্র রয়েছে বলে ১৪ দল মনে করে।’
ব্লগার অভিজিৎ হত্যার নিন্দা জানিয়ে নাসিম বলেন, ‘এ হত্যার পেছনে ধর্মান্ধ রাজনৈতিক দল ও একাত্তরের ঘাতকরা যে জড়িত, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এদের আইনের বাইরে রাখা যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘আজ সমগ্র দেশ উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় রয়েছে। জাতি আজ মর্মাহত। প্রতিদিনই খালেদা জিয়ার মুখোশ উন্মোচিত হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি না হত্যার মাধ্যমে অগণতান্ত্রিক ও অসংবিধানিকভাবে ক্ষমতা পরিবর্তন হবে। খালেদা জিয়া এখন জঙ্গি, সন্ত্রাস ও পেট্রোলবোমার নেত্রী। সেনাবাহিনীকে উসকে দেয়ার চেষ্টা চলছে। তা গোয়েন্দা সংস্থা ও সাংবাদিকদের লেখার মাধ্যমে উন্মোচিত হচ্ছে। কিন্তু অবৈধভাবে কাউকেই ক্ষমতা দখল করতে দেয়া হবে না।’
খালেদা জিয়াকে হতাশার নেত্রী দাবি করে নাসিম বলেন, ‘তিনি প্রতিটি পদক্ষেপেই ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। হরতাল-অবরোধ আজকে দেশে তামাশায় পরিণত হয়েছে। হরতাল-অবরোধ দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে তিনি ধ্বংস করে দিচ্ছেন। নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করতে তিনি ভুলে গেছেন। তিনি আইন-আদালত, বিচার ব্যবস্থায় বিশ্বাস করেন না। ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষার সময় হরতাল-অবরোধ দিয়ে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন। তার পরিণতির জন্য আমাদের কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।’
সেনাবহিনীকে উসকানি দেয়ার জন্য মান্না এবং খোকার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘যারা এ ধরনের উসকানি দিচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো আপোষ করা যাবে না। যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।’
ডিসিসি নির্বাচনে আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী সাঈদ খোকন এবং আনিসুল হককে সমর্থন দেয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ১৪ দলে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি বলেও সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান।
১৪ দলের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা চারটি টিমে বিভক্ত হয়ে আগামী ৮ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় পদযাত্রা ও সমাবেশ সফল করবো। প্রথম টিমটি সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা; দ্বিতীয় টিমটি গাজীপুর মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ; তৃতীয়টি চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফেনী এবং চতুর্থ টিমটি কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ এবং যশোরের কর্মসূচিগুলোতে অংশগ্রহণ করবে। এ লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক প্রধান করে টিম গঠনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’ আগামী কয়েকদিনের মধ্যে টিমের কাজ চূড়ান্ত করে গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ আলম লেনিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বদিউজ্জামান ভুঁইয়া ডাবলু, আব্দুর রাজ্জাক, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, এনামুল হক শামীম, আমিনুল ইসলাম আমিন, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা, জাসদের শরীফ নূরুল আম্বিয়া, গণতন্ত্রী পার্টির নূরুর রহমান সেলিম, মাহমুদুর রহমানা বাবু, জেপির শেখ সহিদুল ইসলাম, গণআজাদী লীগের এসকে শিকদার, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, ন্যাপের ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।