ঢাকাWednesday , 24 April 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রামপালে রান্না করা মাহফিলের মাংস বিক্রির অভিযোগ

Link Copied!

রামপালে ডেগে (বড় হাঁড়িতে) রান্না করা মাহফিলের মাংস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার প্রাণকেন্দ্র ফয়লাহাট কামাল উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে। গত (২২ এপ্রিল) রাতে বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত ইছালে সওয়াব মাহফিল উপলক্ষে রান্না করা মাংস থেকে পরিচালনা কমিটি এই মাংস বিক্রি করে বলে অভিযোগ করেন তারা। কয়েক ডেগ মাংস কমিটির সদস্যরা ভাগ করে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে মাংস বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেছেন মাহফিল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আ. হালিম পাটোয়ারী।
অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, ফয়লাহাট কামাল উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ঈসালে সব মাহফিল উপলক্ষে খাওয়া-দাওয়ার বিশাল আয়োজন করা হয়। মাহফিলের লোক বেশি থাকার কারণে পরিচালনা কমিটি খাবার দিতে দেরি করতে থাকেন।মাহফিলে উপস্থিত বৃদ্ধ ও শিশুরা দেরি দেখে আস্তে আস্তে বাড়িতে চলে যায়। রাত ২ টায় মাহফিলে উপস্থিত জনতাকে খেতে দেওয়া হয়। পরদিন গত মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বেচে যাওয়া কয়েক ডেগ মাংস বিক্রি ও পরিচালনা কমিটির মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। তাছাড়া গভীর রাতে সরকার দলীয় সমর্থকদের নিয়ে বিদ্যালয়ের দোতালায় ভুরিভোজের আয়োজন করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
অভিযোগকারীরা আরও জানান, মাহফিল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আ. হালিম পাটোয়ারী ও সাধারণ সম্পাদক বাবুল গাজী লোক সমাগম বেশী দেখে দেরীতে খেতে দেন। লোক চলে যাওয়ায় ৯ ডেগ মাংস বেচে যায়। ৫ ডেগ বিক্রি করেন এবং ৪ ডেগের মাংস কমিটির সদস্যরা নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে বাড়িতে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে মাহফিলে দানকারীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তারা এই ঘৃণিত কর্মকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।
ঘটনার বিষয়ে মাহফিল কমিটির সভাপতি আ. হালিম পাটোয়ারির সাথে কথা হলে তিনি রান্না করা মাংস বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন “কোন দেরি হয়নি, সময় মতোই খাবার পরিবেশন করা হয়েছে। মাহফিলে ১০ হাজারের অধিক লোক খাওয়ানো হয়েছে। সামান্য কিছু রান্না করা মাংস বিক্রি করা হয়েছে। তবে কমিটির কোন সদস্যদের মাংস দেওয়া হয়নি। আশেপাশের এতিমখানাগুলো খোলা থাকলে রান্না করা মাংস বিক্রি করা হতো না”।