ঢাকাFriday , 13 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অজানা রোগে ১৩ গরুর মৃত্যু, আতঙ্কে মালিকরা

Link Copied!

Cowলালমিনরহাট প্রতিনিধি : অজানা রোগে হাতীবান্ধা উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পূর্ব ও মধ্য কাদমা এবং উত্তর জাওরানী গ্রামে ১৩টি গরু মারা গেছে। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে এসব গরু মারা যাওয়ায় মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এসব গরুর মুখ দিয়ে প্রথমে লালা বের হয়। পরে পেট ফুলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আক্রান্ত গরুগুলোর মৃত্যু হয়।
একই কথা জানান পূর্ব কাদমা গ্রামের কৃষক হরে কৃষ্ণ বর্মণ। তার ভাষ্যমতে, শুক্রবার সকালে হাঠৎ করে তার পালিত গরুর মুখে লালা এসে কিছুক্ষণের মধ্যে পেট ফুলে উঠে। স্থানীয় পশু চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধপত্র খাওয়ানো হলেও দুপুর হতে না হতে গরুটি মারা যায়।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অজানা রোগে একই গ্রামের খোকারাম বর্মণের একটি, দেলজাহান বেওয়ার একটি, আরজু বেগমের একটি ও অজিত কুমারের একটি এবং উত্তর জাওরানীর আফছার আলীর দুটি, হেলাল উদ্দিনের একটি, নুরু মিয়ার দুটি গরুর মৃত্যু হয়।
এর আগে, গত বুধবার বিকেলে মধ্য কাদমা গ্রামের জগবন্ধু ও নয়ন মিয়ার একই ভাবে তিনটি গরুর মৃত্যু হয়। মাত্র দু’দিনে ব্যবধানে ওই এলাকায় হাঠৎ করে ১৩টি গরুর মৃত্যুতে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তারা এ নিয়ে উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন।
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগের ভ্যাটিনারি সার্জন ডা. নাবিল জানান, তিনি প্রশিক্ষণের জন্য মাস খানেক ধরে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তাই বিষয়টি তার জানা নেই উল্লেখ করে উপজেলা প্রাণি সম্পাদ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
এ ব্যাপারে হাতীবান্ধা উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মকবুল হোসেন জানান, শুক্রবার সকালে দু’জন প্রতিনিধি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসব গরু বি কিউ (বাদলা) সংক্রমনে মারা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই ওই এলাকার আশপাশের গরুসহ গোটা ইউনিয়নে প্রতিশেধক টিকা দেয়ার কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
তবে এতে ভয়ের কোনো কারণ নেই বলেও দাবি করেন ডা. মকবুল হোসেন।