গরিব ও নিম্ন আয়ের মানুষকে বাঁচাতে অবিলম্বে দেশব্যাপী ন্যায্যমূল্যে পূর্ণ রেশনিং ব্যবস্থা চালু ও নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।
শনিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১১টায় রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধ ও পূর্ণ রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিতে ওয়ার্কার্স পার্টির আয়োজিত সমাবেশে থেকে এ দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশব্যাপী ন্যায্যমূল্যে পূর্ণ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অন্যথায় বর্তমান সরকারের সব অর্জন প্রশ্নের মুখে পড়বে। অতীত অভিজ্ঞতা বলে- অসাধু আমলা-ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট তৈরি করে নিত্যপণ্য সামগ্রীর দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। এতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অবর্ণনীয় দুঃখ-যন্ত্রণার শিকার হতে হয়। তাই সরকারকে এখনই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। যেন জনগণের দুঃখ-যন্ত্রণা লাঘব হয়।
ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি আবুল হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- দলের পলিটব্যুরোর সদস্য কামরুল আহসান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিরুল হক আমিন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কিশোর রায়।
কামরুল আহসান বলেন, ঘুষ-দুর্নীতি, অবৈধ চাঁদাবাজি, অব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতা কমিয়ে দ্রব্যমূল্য সাশ্রয়ী রাখা যায়। মানুষ যখন কোভিড পরবর্তীকালে বেঁচে থাকার লড়াই করছেন তখন নিত্যপণ্যের মূল্য লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী এ দায় আন্তর্জাতিক বাজারের ঘাড়ে চাপিয়ে খালাস। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন- রমজানে এক কোটি মানুষকে কম দামে খাবার পৌঁছে দেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এক কোটি মানুষকে রেশনিং আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন। বাকি দরিদ্র মানুষের দায়িত্ব কে নেবে? রোজার মাসে যে সব অসাধু ব্যবসায়ীরা অতি মুনাফা লোভে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করবে তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা গেলে বাজারে স্বস্তি ফিরে আসবে।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা জাকির হোসেন রাজু, মোস্তফা আলমগীর রতন, জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, মো. তৌহিদুর রহমান, সাদাকাত হোসেন খান বাবুল, মুর্শিদা আখতার নাহার, শিউলি সিকদার, মোতাসিম বিল্লাহ সানি, তাপস দাস, রফিকুল ইসলাম সুজন, তাপস কুমার রায়, মামুন মোল্লা প্রমুখ।

