ঢাকাSunday , 19 September 2021
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজনৈতিক সমাধান রাজপথেই করতে হবে: মান্না

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজনৈতিক সমাধান রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে করতে হবে বলে মনে করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।
রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) সাউথ এশিয়া ইউথ ফর পিস অ্যান্ড প্রোসপারিটি সোসাইটি আয়োজিত ‘নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক একটি ওয়েবিনারে তিনি একথা বলেন।
মান্না বলেন, বাংলাদেশের জনসাধারণ মানুষ যেভাবে শক্তিশালী, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে চান, তা কখনোই বর্তমান সরকার দ্বারা পূরণ হবে না। এ বিষয়ে সমাধান রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যারা প্রযুক্তি কম বোঝেন তাদের জন্য নির্বাচনে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবস্থা একেবারেই অনুপযুক্ত।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ড. সাজ্জাদুল হকের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান সাইফুদ্দীন আহমেদ প্রমুখ।
সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন ঠুটো জগন্নাথের মতো আচরণ করছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনগুলোয় ভোট জালিয়াতি ঠেকাতে নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি ব্যর্থ ভূমিকা পালন করেছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য করা সার্চ কমিটি একটি প্রহসন মাত্র, যার মাধ্যমে মূলত সরকারি দলের পছন্দের লোকজন কমিটিতে জায়গা পান। এ কমিশনের মাধ্যমে অন্যান্য রাজনৈতিক দল তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এছাড়া ইভিএমে ভোট জালিয়াতির যে সুযোগ তৈরি হয়েছে সে বিষয়েও আলোকপাত করেন সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম। তিনি বলেন, নৈতিক চরিত্রসম্পন্ন মানুষের মাধ্যমে গঠিত নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে এসব অসঙ্গতি দূর করা সম্ভব। এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ করার সুযোগ রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ অথবা সুুষ্ঠু আলোচনার মাধ্যমে সরকার যদি নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে রাজি না হয় তাহলে রাজনৈতিক আন্দোলনই একমাত্র সমাধান।
সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনার কারা হবেন তা সাংবিধানিকভাবে সংসদে পাস হতে হবে। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের জন্য যে আইন আছে, বর্তমান দলীয় সরকারের আজ্ঞাবহ এ নির্বাচন কমিশন সে আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ এবং পালন করতে পারছে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভ্যাকসিন হলো নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকার ও নির্বাচন কমিশন। প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের ধারা ফিরিয়ে আনতে তরুণ সমাজকে সচেতন হতে হবে এবং সমাজের সর্বস্তরকে রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে।