স্বাস্থ্য ডেস্ক : বিভাগীয় শহরগুলোতে একটি আঞ্চলিক ক্যানসার কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে ক্যানসার চিকিৎসায় রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মনে করেন ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার তাশকিন ।
মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি ছোট মিলনায়তনে বিশ্ব ক্যানসার দিবস- ২০১৫ উপলক্ষে সেন্টার ফর ক্যানসার প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চের আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘মেডিকেল কলেজ ও জেলা পর্যায়ের প্যাথলজি, রেডিওলজি, সার্জন ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন মেয়াদি প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সারাদেশে ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসার সুবিধা সম্প্রসারণ করা সম্ভব। এর মাধ্যমে ঢাকায় জাতীয় প্রতিষ্ঠানে চাপ কমার পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্যানসার রোগীরা নিজেদের নাগালের মধ্যে চিকিৎসা সেবা পাবে।’
লিখিত বক্তব্যে ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার বাংলাদেশ ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন।
দাবিগুলো হলো- ক্যানসারের সঠিক তথ্য বিশেষ করে আক্রান্তের হার ও মৃত্যুর হার সম্পর্কে জানতে জনগোষ্ঠী ভিত্তিক নিবন্ধন কর্মসূচি চালু করা। ক্যানসারের রিস্ক ফ্যাক্টর সর্ম্পকে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় কাযক্রম গ্রহন করা। সরকারী খাতে ক্যানসার চিকিৎসার সুবিধা বৃদ্ধি করা। প্রশমনমূলক চিকিৎসা ও ব্যাথা নিরাময়ে হোম সার্ভিসসহ পোলিয়েটিভ কেয়ার ইউনিট চালু করা। গরিব রোগীদের জন্য সরকারি ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্রে ৮০ ভাগ বিছানা বিনা ভাড়া চালু করা। গুনগতমান বজায় রেখে কেমোথেরাপির জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ তৈরি করা।
উল্লেখ্য, আগামীকাল ৪ ফেব্রুয়ারি ‘বিশ্ব ক্যানসার দিবস’। ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বের ক্যানসার সংগঠনগুলোর গ্লোবাল মোর্চা ‘ইউনিয়ন ফর ইন্টারন্যাশনাল ক্যানসার কন্ট্রোল (ইউআইসিসি) এর উদ্যোগে পালিত হচ্ছে দিনটি। এ বছর ক্যানসার দিবসের পদিপাদ্য বিষয় হলো- আমরাই পারি রুখতে।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ডা. মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান, সমাজকর্মী মাজেদা শওকত, অপরাজিতা ক্যানসার সোসাইটির নিলুফার তাসনিম, রাজধানীর এলিক বার্ক ইন্টার ন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রোকেয়া রুমি প্রমুখ।

