ঢাকাMonday , 2 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রহিম আফরোজের বিরুদ্ধে নিম্নমানের দস্তা সার বিক্রির অভিযোগ

Link Copied!

Paddy

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভেজাল ও নিম্নমানের সারের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে দেশের নামিদামি প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে প্রতিষ্ঠিত এসব কোম্পানির সারে কৃষক যেমন আস্থা হারাচ্ছে তেমনি এ ভেজাল সার প্রয়োগে ফসলের উৎপাদনও হ্রাস পাচ্ছে। প্রতিষ্ঠিত কিছু কোম্পানির বিরুদ্ধে ভেজাল ও নিম্নমানের সার সরবরাহের যে অভিযোগ রয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তৎপরতায় তার সত্যতা পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি নিয়মিত ভেজাল বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর সদরের হাশিমপুর বাজারে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় রহিম আফরোজ কর্তৃক সরবরাহকৃত জিংক সালফেট মনো হাইড্রেড (দস্তা সার)’র বিষয়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। তাৎক্ষণিক ঐ সারের বিক্রি বন্ধ করে দিয়ে জব্দকৃত নমুনা পরীক্ষার জন্য যশোর মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই)’র ল্যাবরেটরিতে প্রেরণ করা হয়। একই মাসের ২৫ তারিখে নমুনা পরীক্ষার ফলাফল সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয় যশোর কৃষি বিভাগ বরাবর। এতে রহিম আফরোজের ঐ দস্তা সারকে ‘সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬ এর ১৭/২/ঘ’ অনুযায়ী ‘ভেজাল দস্তা সার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে জানা গেছে।
নিম্নমানের দস্তা সার সরবরাহের বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা (যশোর) কৃষিবিদ জি এম আবদুুর রউফ দৈনিক পাঞ্জেরীকে বলেন, আমরা নিয়মিত ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছি। এর অংশ হিসেবে রহিম আফরোজ কর্তৃক সরবরাহকৃত নিম্নমানের দস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
নিম্নমানের সার সরবরাহের বিষয়ে জানতে চাইলে রহিম আফরোজের ফার্টিলাইজার বিভাগের প্রধান এটিএম নূর আলম খান দৈনিক পাঞ্জেরীকে বলেন, আমরা সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছি। একেক ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার ফলাফল একেক রকম আসতে পারে। অন্য কোন ল্যাবরেটরিতে ঐ একই নমুনা পরীক্ষার ফলাফল    সন্তোজনক আসবে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের ‘আবদার’ পূরণ না করতে পারলে বিভিন্ন কোম্পানিকে হয়রানির শিকার হতে হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে যশোর সদরের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম খালিদ সাইফুল্লাহ দৈনিক পাঞ্জেরীকে বলেন, অনৈতিক কোন দাবির প্রশ্নই আসে না; তাহলে অভিযান কেন চালানো হচ্ছে। আমরা কৃষি ও কৃষকের স্বার্থে কাজ করি। ভেজাল ও নিম্নমানের সার বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (উপকরণ) কৃষিবিদ মো. কুদরত-ই গনী এ বিষয়ে বলেন, কোন প্রতিষ্ঠান ভেজাল ও নিম্নমানের সার বিক্রি করলে উপজেলা থেকে প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন করা হবে না এবং এক পর্যায়ে নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার উইংয়ের একজন কর্মকর্তা দৈনিক পাঞ্জেরীকে জানান, ভেজাল ও নকল সারের বিষয়ে কোন রকমের আপোস চলবে না। যত বড় প্রতিষ্ঠানই  হোক না কেন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সেই প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করার নির্দেশনা দেওয়া আছে।