দিনাজপুর প্রতিনিধি : আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির আগেই প্রথম ধাপে জেলায় ৯৬ হাজার ডোজ টিকা এসে পৌঁছাবে দিনাজপুরে। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, প্রথমে করোনার সম্মুখযোদ্ধাদের টিকা দেয়া হবে। টিকাদানের জন্য জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ শেষ নির্দেশনা অনুয়ায়ী চিকিৎসক ও টিকাদান কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় এখন পর্যন্ত মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৬৫ জন। এরমধ্যে মারা গেছেন ১০০ জন। সুস্থ্য হয়েছেন ৪ হাজার ৫১০ জন। বর্তমান রোগী ৫৫ জন। হাসাপাতালে ভর্তি ১৬ জন ও হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ৩৯ জন। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জেলায় সরকারিভাবে টিকাদান শুরু হবে। তার আগেই ৯ হাজার ৬০০ ভায়েল অথ্যাৎ ৯৬ হাজার ডোজ টিকা এসে পৌঁছাবে।
এরপর সেগুলো জেলার ইপিআই সেন্টারের কোল্ডস্টোরে সংরক্ষণ করা হবে। জেলায় মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে টিকা দেয়া হবে।
টিকা প্রদানের জন্য চিকিৎসক ও টিকাদানকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি চলছে। আর টিকাদানের জন্য দিনাজপুর জেনারেল হাসাপাতালে আটটি, দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চারটি ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে দুইটি করে টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে দুইজন করে টিকাদান কর্মী ও চারজন করে স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন।
সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, টিকাদানের জন্য আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভ্যাকসিন আসার পর সেগুলো সংরক্ষণ করার জন্য প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, টিকা গ্রহণের জন্য অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর টিকাগ্রহীতার মুঠোফোনে ক্ষুদেবার্তার মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে, তিনি কবে-কোথায় টিকা গ্রহণ করবেন।

