ঢাকাSaturday , 14 November 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হেফাজতকে জামায়াত-শিবিরের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ১৫ তারিখের কাউন্সিলের মাধ্যমে ‘হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ’কে জামায়াত-শিবিরের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন সংগঠনের একাংশের নেতারা।
শনিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে ‘হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মইনুদ্দিন রুহিসহ চট্টগ্রাম নগরের বেশ কয়েকজন নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হেফাজতের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর শ্যালক মো. মঈন উদ্দিন বলেন, ‘আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে গত ১৮ সেপ্টেম্বর জামায়াত-শিবিরের প্রেতাত্মারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। হজরতের অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়টি সমাধান না করে কাউন্সিলের মাধ্যমে তার হাতেগড়া অরাজনৈতিক কওমী সংগঠনকে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে।’
এ সময় তিনি দেশে-বিদেশে অবস্থানরত কওমী মতাদর্শের আলেম ও ছাত্রদের হেফজতে ইসলামকে রক্ষার জন্য স্ব-স্ব অবস্থান থেকে প্রতিরোধেরও ডাক দেন।
সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মইনুদ্দিন রুহি বলেন, ‘হেফাজত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন, আমাদের কোনো রাজনৈতিক উচ্চাভিলাস নেই। কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য হেফাজতে ইসলাম নয়। এখন জামায়াত-শিবিরের প্ররোচণায় আগামী ১৫ তারিখ সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে। আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে আল্লামা শাহ আহমদ শফী যে উদ্দেশ্য নিয়ে হেফাজত প্রতিষ্ঠা করেছেন, আজ কিছু উচ্চভিলাসী এবং রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী হীনউদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।’
মইনুদ্দিন রুহি দাবি করেন, হেফজতে ইসলাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাত সদস্যের পাঁচজন এখনো কাউন্সিলের দাওয়াত পাননি। এছাড়া ৩৫ নায়েবে আমিরের ২৩ জন এখনো দাওয়াত পাননি। তাদের পরিকল্পিতভাবে কাউন্সিলে না আসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
দাওয়াত দিলে কাউন্সিলে যাবেন কি-না প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা এই কাউন্সিলকে বৈধ মনে করছি না। কারণ কাউন্সিলের আহ্বায়ক যিনি তিনি (আল্লামা মহিববুল্লাহ বাবুনগরী) ২০১৬ সালেই হেফাজত থেকে পদত্যাগ করেছেন। এরপর তিনি আর হেফাজতে ফিরে আসেননি। তাই আমরা এই কাউন্সিলকে অবৈধ মনে করি। আমরা অবৈধ কাউন্সিলে যোগ দেয়া উচিত মনে করি না।’
এ সময় তিনি ১৫ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষার পর হেফাজতের নিজেদের অংশের নেতারা করণীয় ঠিক করবেন বলে জানান।