ঢাকাSaturday , 29 August 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তদবিরে অতিষ্ঠ খাদ্য অধিদপ্তর, কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

Link Copied!

খাদ্য অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক : বদলি, পদায়ন ও নিয়োগের ক্ষেত্রে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অযাচিত হস্তক্ষেপ ও বিধিবহির্ভূত তদবিরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে অধিদপ্তর। বার বার নির্দেশনা দেওয়া সত্ত্বেও কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন। তাই এবার এসবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে খাদ্য অধিদপ্তর।
এ বিষয়ে গত মঙ্গলবার খাদ্য অধিদপ্তর থেকে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) সরোয়ার মাহমুদ স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদশে বিভাগের সকল কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, খাদ্য বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি, পদায়ন ও নিয়োগের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপ ও বিধিবহির্ভূত তদবির থেকে বিরত থাকার জন্য অতীতে তিনবার অধিদপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার পরও কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অধিদপ্তরের নির্দেশ অমান্য করে প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন। যা অসাদাচরণে শামিল এবং সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯ এর ২০ ও ৩০ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আরো বলা হয়, কতিপয় কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সরকারি স্বার্থ বিঘ্নিত হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের এসব কর্মকাণ্ডে প্রশাসনিক কাজেও মারাত্মকভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অধিদপ্তরের আওতাধীন কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। আগামীতে এ নির্দেশ অমান্য করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাদ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের সুবিধামতো বদলি, পদায়ন ও নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে সুপারিশ বা তদবির করে থাকেন। এমনকি অনেকের বিরুদ্ধে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্বাক্ষর জাল করে অধিদপ্তরে সুপারিশ পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে। এ জন্য ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর, এর পরের বছর ২০১৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ও চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তিন দফায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস আদেশের মাধ্যমে সতর্কও করা হয়েছিলো। কিন্তু তার পর বন্ধ হয়নি এসব বিধিবহির্ভূত তদবির।