স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপের মতো আসরে পারফরম্যান্স করে দলকে জেতাতে পারলে যেকোনো খেলোয়াড়ের নাম ইতিহাসের পাতায় লেখা হয় থাকে। আর ঠিক এমন ভাবনা থেকে ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে সামর্থ্যে সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করে গেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসান।
দুর্ভাগ্য, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ভাস্বর হয়েও দলকে কাঙ্খিত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারেননি সাকিব। যার কারণে ব্যাট হাতে ৬০৬ রান ও বল হাতে ১১ উইকেট শিকারও সাকিবকে বিশ্বকাপের ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট পুরস্কার হাতে তুলে দিতে পারেনি। বরং সাকিবের চেয়েও ২৮ রান কম করে উইকেটহীন থাকা নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন জিতেছেন মর্যাদার সেই পুরস্কার। কারণ দলকে তুলেছেন স্বপ্নের ফাইনালে। যদিও শেষ পর্যন্ত ট্রফি স্পর্শ করতে পারেননি।
ক্রিকবাজের সঙ্গে আলোচনায় সাকিব জানিয়েছেন, তিনি ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার পেলে সেটা হতো তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন। তবে সাকিব মনে করেন, কেন উইলিয়ামসন যোগ্য হিসেবে জিতেছে মর্যাদার এই পুরস্কারটি।
ক্রিকবাজের সেই অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠানে সাকিবের কাছে হার্শা ভোগলে প্রশ্ন করেন, ‘বিশ্বকাপের মতো আসরে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হওয়াটা কি একজন খেলোয়াড়ের জন্য সবচেয়ে বেশি মর্যাদার?
এর উত্তরে সাকিব বলেন, ‘ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে যদি বলেন, আমি মনে করি বিশ্বকাপের মতো আসরে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার পাওয়া একজন খেলোয়াড়ের জন্য সবচেয়ে বেশি মর্যাদার; সবচেয়ে বড় অর্জন। আসলে সত্যি বলতে আমি ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে সেটি জিততে চেয়েছিলাম।’
এরপরে সাকিব আরও যোগ করেন, ‘আমি ২০১২ সালে এশিয়া কাপের মতো আসরে ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছিলাম। সেটা আমার জন্য দারুণ এক অর্জন ছিল। সেই টুর্নামেন্টে উপমহাদেশের সব বড় বড় খেলোয়াড় ছিল। যেমন শচীন টেন্ডুলকার, মাহেলা জয়াবর্ধনে, কুমারা সাঙ্গাকারা, বিরেন্দর শেওয়াগ, ইউনিস খান সবাই সেই সিরিজে খেলেছিল। আর সেখানে এই সবার মধ্য থেকে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার পাওয়া আমার জন্য বিশেষ কিছু ছিল।’
‘তবে এটা আমার জন্য অসাধারণ হতো যদি আমি ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার জিততে পারতাম। যদিও আমি মনে করি, কেন উইলিয়ামসন এটার যোগ্য দাবিদারই ছিল। সে যেভাবে তাঁর দলকে নিয়ন্ত্রণ করে গেছে, দলকে ফাইনালে তুলেছে এটা অবিশ্বাস্য।’

