ঢাকাSaturday , 28 December 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গৃহবধূকে নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ

Link Copied!

জয়পুরহাট সংবাদদাতা : জয়পুরহাটের তানিয়া বেগম (২০) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর বাঁশের বর্গার সাথে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে।
শুক্রবার রাতে কালাই উপজেলার কাজীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর থেকে স্বামীসহ বাড়ির সকলে পলাতক রয়েছেন। তানিয়ার স্বামী ফেরদাউস হোসেন ওই মহল্লার বাক্কার হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, দু’বছর আগে ফেরদাউস হোসেনের সঙ্গে ক্ষেতলাল উপজেলার বুড়ইল গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে তানিয়ার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।
গত এক মাস আগে ফেরদাউস আবারও দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এর জেরে কয়েকদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। শুক্রবার বিকেলে ফেরদাউস ও তানিয়ার মাঝে আবারও ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে মারপিটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় তানিয়া মারা যায়।
বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তড়িঘড়ি করে স্বামীসহ পরিবারের সকলে মিলে তানিয়ার মরদেহে দড়ি বেঁধে নিজ ঘরের বাঁশের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেয়। এরপর ঘরের গেটে তালা-চাবি ঝুলিয়ে বাহিরে গিয়ে চিৎকার করে প্রতিবেশীদের জানান, তানিয়া গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। ততক্ষণে তানিয়ার স্বামীসহ পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
প্রতিবেশী আনোয়ার ও তোহিদুল বলেন, যেহেতু ফেরদাউসের আগে অন্য লোককে হত্যা করে জেল খেটেছে, আর স্ত্রীকে হত্যা করা তার কাছে কোন বিষয় না। সে একজন নেশাখোর। তার দ্বারা সবকিছুই সম্ভব।
আরেক প্রতিবেশী বাবু বলেন, দ্বিতীয় স্ত্রীর জন্য তানিয়াকে মারপিট করে হত্যা করা হয়েছে। সে আত্মহত্যা করেনি।
তানিয়ার বাবা জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমার নিরপরাধ মেয়েকে নির্যাতন করে সকলে মিলে হত্যা করেছে। আমি ওদের সকলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করবো। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই। ’
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ খাঁন জানান, আসলে এটা হত্যা না আত্মহত্যা তা এই মুহুর্তে বলা যাচ্ছেনা। তবে মরদেহের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্ত রির্পোট হাতে পেলেই আসল রহস্য জানা যাবে। তবে ঘটনার পর থেকে ওই পরিবারের সকলে পলাতক রয়েছে। মেয়ের বাবা বাদী হয়ে অভিযোগ দাখিল করেছেন।