ঢাকাThursday , 21 November 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২০ লাখ টাকার নকল প্রসাধনী ধ্বংস

Link Copied!

সাভার প্রতিনিধি : সাভারে বিএসটিআই এর অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন নকল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি ও বাজারজাতকরণের অভিযোগে এক প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ধ্বংস করা হয়েছে কারখানাটির তৈরি ১৭ প্রকারের ২০ লাখ টাকা মূল্যের প্রসাধনী সামগ্রী।
বৃহস্পতিবার সকালে র‌্যাব-৪ (সিপিসি-২) এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর শিবলী মোস্তফা এক প্রেস নোটের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সাভারের দেওগাও এলাকার ইয়াফি বিউটি কনসেপ্ট কেয়ার লিমিটেড নামে কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুর রহমান। এসময় বিএসটিআই ও র‌্যাব -৪ এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অর্থদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- ইয়াফি বিউটি কনসেপ্ট কেয়ার লি. কোম্পানির মালিক গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার মহানেগ গস্খামের মমরেজ মোল্লার ছেলে নাজমুল হক (৪০) এবং প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার কুষ্টিয়া জেলার খোকশা থানার নিশ্চিন্ত বাড়িয়া গস্খামের আসাদুজ্জামানের ছেলে কুতুব উজ্জামান (৩৭)।
র‌্যাব -৪ (সিপিসি-২) এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর শিবলী মোস্তফা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে সাভারের দেওগাও এলাকায় বিএসটিআই এর অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে ফেসিয়াল, হেয়ার জেল, আফটার সেভ ও লোশনসহ প্রায় ১৭ প্রকারের নকল প্রসাধনী তৈরি করে আসছিল ইয়াফি বিউটি কনসেপ্ট কেয়ার লি. নামের প্রতিষ্ঠানটি। পরে গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কারখানার তৈরি বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রীর মানযাচাই করেন ভ্রাম‌্যমাণ আদালত। এসময় ২০ লাখ টাকা মূল্যের ১৭ প্রকারের প্রসাধনী সামগ্রী নকল চিহ্নিত করে তা জব্দের পর ধ্বংস করা হয়।
তিনি আরো জানান,এসময় নকল পণ্য তৈরি ও তা বাজারজাতকরণের অভিযোগে ইয়াফি বিউটি কনসেপ্ট কেয়ার লি. কোম্পানির মালিক নাজমুল হককে দুই লাখ ও ম্যানেজার কুতুব উজ্জামানকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। এঘটনায় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৩ ও ৫৩ ধারায় মামলা করা হয়েছে।