ঢাকাSunday , 3 November 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পলাতকদের ফেরাতে আলোচনা চলছে

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় চার নেতাকে জেলে হত্যার ঘটনায় বিদেশে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ‍কূটনৈতিক আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন কাদের।
তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে কলঙ্কজনক রক্তাক্ত দুটি ঘটনা পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট ৩ নভেম্বর। পনেরই আগস্ট, ৩ নভেম্বর একই সূত্রে গাথা, একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর আওয়ামী লীগকে নিঃশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করে দেওয়ার জন্য কারা অভ্যন্তরে আমাদের জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সারির চারজন সংগঠককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।’
‘যারা খুনি তাদের অনেকের দণ্ড কার্যকর হয়েছে। যাদের দণ্ড কার্যকর হয়নি, যারা বিদেশে পলাতক তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য জোর প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। এই কূটনৈতিক প্রয়াস সামনের দিনগুলোতে আরো বাড়বে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোনো কোনো দেশে আইনে সমস্যা আছে। তাদের দেশে মৃত্যুদণ্ডের কোনো বিধান নেই। পলাতকরা ফাঁসির আসামি বিধায় তাদের ফিরিয়ে আনতে অসুবিধা হচ্ছে। তবুও বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধান রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা চলছে। যাতে খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।’
৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যকারীদের বিষয়ে কমিশন গঠনের অবস্থা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সেটি এখনো সরকারের আলাপ আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে, কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’
বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জেল হত্যায় শহীদ এম মনসুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যার মাধ্যমে দেশে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা হাজার বছরেও কাটিয়ে ওঠার মতো নয়। এই রাজনৈতিক শূন্যতা অপূরণীয় ক্ষতি। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে, জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার হয়েছে।’
‘দেশ বিরোধী শক্তি এখনো রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টির চেষ্টা করে যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই এই সকল চক্রান্ত মোকাবেলা করে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’
রোববার সকাল ৭টায় প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও পরে দলীয় নেতাদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। এরপর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন চৌদ্দ দলীয় জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
পরে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে গিয়ে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। একই সময়ে রাজশাহীতে কামারুজ্জামানের কবরেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর বন্দি তার এই চার সহচরকে ৩ নভেম্বর কারাগারের ভেতরে হত্যা করা হয়েছিল।