ঢাকাThursday , 10 October 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্বেচ্ছাসেবক লীগের আসন্ন সম্মেলন
অন্যান্যদের চেয়ে এগিয়ে ইসহাক মিয়া

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘মো. ইসহাক মিয়া’ শুধু একটি নাম নয়, ইতিহাসও বটে। তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সবটা সময়ই সংগ্রাম করে পার করেছেন। দেশরতœ শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাজপথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সকল কর্মকা- সম্পাদনা করেছেন। তাঁর দূরদর্শিতার কারণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাভৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর উত্তর সকল কর্মসূচি সফলভাবে পালন করতো।
আন্দোলন আর সংগ্রামের আরেক নাম মো. ইসাহাক। বিএনপি-জামায়াতের অত্যাচার, জেল জুলুমে যখন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ কোণঠাসা হয়ে সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত তখন ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রনেতাদের সাহস জুগিয়েছেন মো. ইসহাক।
নেতা-কর্মীরা তার কাছে শিখেছেন কিভাবে একজন ছাত্রলীগের কর্মীকে মূল্যায়ন করতে হয়। তিনি একদিনেই ইসহাক মিয়া তৈরি হননি। অনেক ত্যাগ ও শ্রমের বিনিময়ে আজ তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন।
১৯৯১ সালে তিনি তেজগাঁও কলেজ ছাত্র সংসদে জি.এস পদে নির্বাচন করেন। ১৯৯৪ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক পদ লাভ করেন। ১৯৯৯ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পরবর্তীতে অর্থাৎ ২০০২ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন। ২০০২ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
চার দলীয় জোট সরকারের সময় কারাগারে অন্তরীন হন। ২০০৪ সালে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় মারাত্মক আহত হন এবং শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখনও তিনি ঠিকমতো কানে শুনতে পান না। তিনি ২০১০ সালের ২৭ জুলাই সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতির ইতি টানেন।
দীর্ঘ ৮ বছর পদে না থেকেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার জনবান্ধব এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়ন করে চলেছেন।
তৃণমূল আওয়ামী লীগ কর্মীরা বিশ্বাস করে, জননেত্রী শেখ হাসিনা লাখো নেতা-কর্মীদের ভিড়ে একজন সৎ মো. ইসহাক মিয়াকে খুঁজে নেবেন।