ঢাকাMonday , 7 October 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অপকর্মের প্রমাণ পেলে কেউ রেহাই পাবে না

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, `অপকর্মে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হোক, আর যেই হোক কেউ রেহাই পাবেন না।’
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির বিরুদ্ধেও অভিযোগ আছে, ব্যবস্থা নেবেন কি না? এ প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সম্রাটের গ্রেপ্তার হওয়া এর জ্বলন্ত উদাহরণ। বলেছিলাম, তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে, গ্রেপ্তারের মতো অবস্থা হলে অপরাধে জড়িত সে যেই হোক তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
তথ্য-প্রমাণ না পেলে কীভাবে আপনি একজন মানুষকে অভিযুক্ত করবেন, এ প্রশ্ন তোলেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননও তো একটা ক্লাবের প্রেসিডেন্ট। আপনি তাকেও কি ক্যাসিনো ব্যবসায়ী বলবেন? সেটা তো প্রমাণ হতে হবে। একইভাবে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিও একটা ক্লাবের প্রেসিডেন্ট। সে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হয়ে তিনি ক্যাসিনো ব্যবসা করেন কি না সেটা তো প্রমাণসাপেক্ষ ব্যাপার।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি নেই কেন, সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। আমরা তো এনেছি। সব দিয়ে ফেলেছি, এরকম বিষয় নয়। পাওয়ার পরিমাণ অনেক বেশি।
তিনি বলেন, সীমান্ত সমস্যার সমাধান আমরা করেছি। যারা অভিযোগ করে, তারা করতে পারেনি। ৬৮ বছর পরে সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন হয়। এটা শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদির সরকারই করতে পেরেছে। সমুদ্রসীমার ব্যাপারে ভারত তো আপিল করতে পারত। তারা কিন্তু আপিল করেনি। সম্পর্কটা ভালো থাকলে অনেক কিছুই পাওয়া যায়। সম্পর্ক বৈরী থাকলে কিছুই পাওয়া যায় না। গঙ্গা চুক্তি শেখ হাসিনার আমলে হয়েছে এবং তিস্তা চুক্তিও শেখ হাসিনার আমলেই হবে। এ বিষয়ের আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ একটা সমস্যা আছে। যেহেতু এটা পশ্চিমবঙ্গের বিষয়, সেখানে পশ্চিমবঙ্গের সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে ভিন্নমত পোষণ করে। সেখানে তাদের মধ্যে ঐক্যের ব্যাপার আছে, বোঝাপড়ার ব্যাপার আছে। এখানে ভারত সরকারের আন্তরিকতার ঘাটতি বা সদিচ্ছার কমতি আছে, এটা ভাবার কিছু নেই।