ঢাকাTuesday , 24 September 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জীবন দিয়ে জীবন জাগাবার মন্ত্র শিখেছিলেন প্রীতিলতা

দৈনিক পাঞ্জেরী
September 24, 2019 11:06 pm
Link Copied!

নিউজ ডেস্ক : ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদ বীরকন্যা প্রীতিলতা মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে গ্রহণ করেছিলেন জীবন দিয়ে জীবন জাগাবার মন্ত্র, তাই মাত্র একুশ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবনে জাগিয়ে তুলেছিলেন ভারতবাসীকে।
প্রীতিলতার ৮৭তম আত্মাহুতি দিবসে এমন মূল‌্যায়ন করে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম তার সংগ্রাম থেকে শিক্ষা নিয়ে শোষণের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ার আহ্বান জানান।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রওশন আরা রুশো এবং সাধারণ সম্পাদক শম্পা বসু এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, ১৯৩২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে মাত্র ৭ জন সঙ্গী নিয়ে আক্রমণ করেন পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাব। দাম্ভিক ব্রিটিশেরা যেখানে সাইনবোর্ডে লিখে দিয়েছিল ‘কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ’। সফল আক্রমণ শেষে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন। জীবিত ধরা না পড়ার পূর্ব পরিকল্পনায় অবিচল থেকে তিনি পটাশিয়াম সায়ানাইড পান করে আত্মাহুতি দেন।
রুখসানা আফরোজ আশা স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ব্রিটিশ সাম্রাজ‌্যের সূর্য অস্তমিত করা ও স্বাধীনতা সংগ্রামে পুরুষের পাশে নারীরাও লড়াই করতে পারে- এ চেতনা জাগাবার জন্যে মাস্টারদা বেছে নিয়েছিলেন প্রীতিলতাকে। ত্বরান্বিত করেছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলন, নারীদের সম্পর্কে সমাজের কুসংস্কারে করেছিলেন প্রচণ্ড আঘাত।
শৈশবে মেধাবী প্রীতিলতা পড়েছেন চট্টগ্রামের ডাঃ খাস্তগীর স্কুলে। ঢাকার ইডেন কলেজ থেকে মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান নিয়ে পাশ করেছিলেন আইএ। পরে ভর্তি হন কলকাতার বেথুন কলেজে। ডিস্টিংকশন নিয়ে বিএ পাস করে চট্টগ্রামে ফিরেই যোগ দিয়েছিলেন মাস্টারদা সূর্যসেনের দলে। অপর্ণাচরণ স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি চালিয়ে যান বিপ্লবী কর্মকাণ্ড।
বিবৃতিতে মহিলা ফোরামের নেতারা বলেন, আজ থেকে ৮৬ বছর আগে প্রীতিলতা যে স্বাধীনতা, শোষণমুক্তির জন্য নির্ভিক চিত্তে জীবন দিয়েছিলেন, বাংলাদেশে স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও মানুষ শোষণ-লুণ্ঠনের শিকার। সুন্দরবন ধ্বংস করে দেশ-বিদেশের লুটেরাদের স্বার্থে সরকার রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র করছে। এখনকার তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব হলো, এমন অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, এই সমাজ পাল্টানোর জন্য লড়াই করা।