নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, সিএমএইচ-এ চিকিৎসকরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে পার্টির চেয়ারম্যানকে চিকিৎসা দিচ্ছেন। চিকিৎসকরা মনে করছেন, তার চিকিৎসা এ হাসপাতালেই সম্ভব। তবে, তারা যদি বলেন তাহলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেওয়া হবে।
সিএমএইচে চিকিৎসাধীন এইচ এম এরশাদের শারিরিক অবস্থা নিয়ে রোববার সন্ধ্যায় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সব সময় সিএমএইচ এর চিকিৎসায় আস্থা রেখেছেন। আমরাও সিএমএইচ এর চিকিৎসায় সন্তুষ্ট। তার রোগমুক্তির জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করেন তিনি।
এরশাদের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে ছোটভাই বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতির শারিরিক অবস্থা শনিবারের চেয়ে রোববার সকালে কিছুটা অবনতি হয়। ফুসফুসে পানি জমার কারণে সকাল থেকেই তার কিছুটা শ্বাস কষ্ট হচ্ছিল। যে কারণে তাকে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ২৭ জুন সকালে পার্টির চেয়ারম্যান অসুস্থতাবোধ করলে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে কিছু সংক্রমণের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা সাংবাদিকদের জানান, বাজেট অধিবেশনে পার্টির চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে তার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা তাদের শেষ সম্বল বিক্রি করে পার্টির চেয়ারম্যানের চিকিৎসা ব্যয় বহন করবেন।
তিনি বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার পর তাকে দুর্নীতিবাজ প্রমাণ করতে ঐ সময় বিএনপি সরকার দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থাকে নিয়োজিত করেছিল, কিন্তু তারা পল্লীবন্ধুকে দুর্নীতিবাজ প্রমাণ করতে পারেনি। তিনি কখনই দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন না।
এ সময় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সুনীল শুভ রায়, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, ভাইস চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আহমেদ, মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, জহিরুল আলম রুবেল, যুগ্ম মহাসচিব- হাসিবুল ইসলাম জয়, আদেলুর রহমান এমপি, এস এম. ইয়াসির, সম্পাদকমণ্ডলী সদস্য ফখরুল আহসান শাহজাদা, মাতলুব হোসেন লিয়ন, মো. হেলাল উদ্দিন, মাহামুদা রহমান মুন্নি, এম এ রাজ্জাক খান, কাজী আবুল খায়ের, এম এ সাত্তার, মাখন সরকার, কেন্দ্রীয় নেতা এনাম জয়নাল আবেদীন, মিজানুর রহমান দুলাল, ফজলে এলাহী সোহাগ, অ্যাডভোকটে আবু তৈয়ব, মো. মিজানুর রহমান, এস এম এম সেলিম উপস্থিত ছিলেন।

