নিজস্ব প্রতিবেদক : ছাত্রলীগের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি থেকে বিতর্কিতদের এবং মধুর ক্যান্টিনে পদবঞ্চিতদের ওপর হামলার ঘটনায় চিহ্নিতদের বহিষ্কারের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে আন্দোলনকারীরা।
ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে রোববার রাতে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ঘোষণা দেন গত কমিটির প্রচার সম্পাদক ও আন্দোলনকারী সাঈফ বাবু।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি মানা হয়েছে, তাই আমরা আন্দোলন স্থগিত করেছি। আমাদের দাবি ছিল, বিতর্কিতদের কমিটি থেকে বাদ দিয়ে যোগ্যদের স্থান দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের সাক্ষাৎ করিয়ে দিতে হবে। এ ছাড়া দুটি হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিচার করতে হবে।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগ সভাপতি সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। আন্দোলনকারীদের কাছে বিভিন্ন ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। মধুর ক্যান্টিনে হামলার ঘটনার প্রসঙ্গে রাব্বানী তাদের বলেছেন, ‘আমরা চারজনকে বহিষ্কার করব, আরো যদি কেউ থাকে তাদেরও বহিষ্কার করা হবে।’
এর আগে, ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পদবঞ্চিতদের সঙ্গে সংগঠনটির শীর্ষ দুই নেতার দ্বন্দ্ব মেটাতে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান; সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক ও বাহাউদ্দিন নাছিম। এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আবু কাওসার।
প্রসঙ্গত, ছাত্রলীগের কমিটিতে বিতর্কিত নেতাদের বিষয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে গিয়ে শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে হামলার শিকার হন পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা।

