ঢাকাSaturday , 2 March 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্কুল চলছে শিক্ষকের বাড়ির উঠানে!

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : খোলা আকাশের নীচে শিক্ষকের বাড়ির উঠানে পাঠদান চলছে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার স্বল্প আকুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের কাজ শুরু হওয়ার পর পুরাতন ভবনে খুব কষ্ট করে ক্লাস চলছিল। কিন্তু গত বছর বন্যায় ওই ভবনে পানি উঠলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শক্রমে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম সহকারী শিক্ষিকার বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়।
বন্যার সময় পুরাতন টিনশেড ঘরটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেখানে আর ক্লাস নেওয়া আর সম্ভব হয়নি। এখন নতুন ভবন নির্মিত হলেও হস্তান্তর জটিলতায় সেখানেও ক্লাস নিতে দেওয়া হচ্ছেনা। সামনে বর্ষা মৌসুম। যদি দ্রুত ভবনটি হস্তান্তর না করা হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম কঠিন হয়ে পড়বে।
নাগরপুর উপজেলা সদর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরবর্তী স্কুলটিতে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, সহকারী শিক্ষক শরিফা আক্তারের বাড়ির উঠানে এক সঙ্গে চলছে তিন শ্রেণির পাঠদান। ফলে হযবরল পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী কেউ কারও কথা ঠিক ভাবে শুনতে পারছিল না।
শিক্ষার্থীরা জানায়, রোদ-ভ্যাপসা গরম ও কনকনে শীতে এখানে পাঠদান ব্যাহত হয়েছে। আর বৃষ্টি নামলে পাঠদান বন্ধ করে ছুটি দিতে বাধ্য হন শিক্ষকরা।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, গত বছর বন্যার সময় বিদ্যালয়ে পানি ওঠায় আমরা সাময়িকভাবে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম স্থানান্তর করি। দীর্ঘদিনেও আমাদের কাছে নতুন ভবন স্থানান্তর না করায় আমরা বেশ বিপাকে পড়েছি। আমি এ বিষয় নিয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করেছি । তিনি আশ্বাস দিয়েছেন খুব দ্রুতই ভবনটি আমাদের কাছে হস্তান্তর করবেন।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নব নির্মিত ভবনটি হস্তান্তরের আগেই এর বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। মেসার্স এস এস বি এন্টারপ্রাইজ ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৮৯ লাখ ৭১ হাজার ৯ শত ৩২ টাকা ব্যয়ে ভবনটি যথাসময়ে নির্মাণ শেষ করতে পারেনি।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, ‘নবনির্মিত ভবনটিতে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করায় এর বিভিন্ন অংশে ফাঁটল দেখা দিয়েছে।’
এ বিষয়ে ঠিকাদার মো. মনির হোসেন বলেন, ‘ভবনের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে না পারায় ও ভবনের নিচের অংশের এটেল মাটি থাকার কারণে ভবনের নিচের অংশে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। ভবনটি হস্তান্তরের আগে আমি তা মেরামত করে দেব।’
এ ব্যাপারে নাগরপুর উপজেলা প্রকৌশলী শাহীনুর আলম বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবন নির্মাণের সময় ময়মনসিংহ জোনের একটি প্রতিনিধি দল ভিজিট করেন। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত ভিজিট করেননি। আর ফাটলের বিষয়টি আমি দেখেছি এখানে মূল বিল্ডিং এর কোন ক্ষতি হবে না।’