ঢাকাMonday , 11 February 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাণিজ্য মেলায় ভ্যাট আদায় ৭ কোটি টাকা

Link Copied!

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা থেকে রেকর্ড ৭ কোটি ১ লাখ টাকা মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) আদায় হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি টাকা বেশি। ২০১৮ সালে বাণিজ্য মেলা থেকে আদায় করা ভ্যাটের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি টাকা।
বাণিজ্য মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ওয়ালটন ও হাতিলসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। কাস্টমস ও ভ্যাট কমিশনারেট (ঢাকা পশ্চিম) কমিশনার ড. মইনুল খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কাস্টমস ও ভ্যাট কমিশনারেট জানায়, বিভিন্ন স্টল থেকে সংগৃহীত ভ্যাটের চালান যাচাই করে দেখা যায়, মোট ভ্যাট সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ১ লাখ টাকা। আজ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সাথে ট্রেজারি চালান যাচাই শেষে এই তথ্য বের হয়। মেলার শেষ দিন ৯ ফেব্রুয়ারিতেই ভ্যাট আহরণ হয়েছে প্রায় ১ কোটি টাকা। হাতিল ও ওয়াল্টনসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সাধারণত মেলার অন্যান্য দিনে গড়ে প্রায় ১০-১২ লাখ টাকার ভ্যাট আদায় হয়েছিল।
মেলার শেষ সপ্তাহে ঢাকা পশ্চিম কমিশনারেট মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ তৎপরতা চালু করে। এতে ভ্যাট সংগ্রহে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কর্তৃপক্ষ ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩টি দল গঠন করে তদারকি করেছে। এসব দল মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন স্টলে গিয়ে ব্যবসায়ীদের ভ্যাট আইন পরিপালনে উদ্বুদ্ধ করে এবং অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া দেয়। তবে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ ওঠে। যথাযথ ভ্যাট চালান ইস্যু না করায় ২৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্যাট আইনে মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেট অভিযুক্তদের বিভিন্ন অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করে।
মেলায় অংশ নেওয়া অধিকাংশ পণ্যে ৫ শতাংশ ব্যাবসায়ী ভ্যাট প্রযোজ্য। আইন অনুসারে প্রতিটি পণ্য ও সেবা ক্রয়ের সময় ভ্যাট চালান ইস্যু করা বাধ্যতামূলক।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০১৯ এ সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রদানকারী ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা ও আদায়ের পরিমাণ হলো।
১. হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেড- ৯৯.৪৪ লাখ টাকা।
২. ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড- ৪২.১২ লাখ টাকা।
৩. এসকোয়ার ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড- ৩৪.৯০ লাখ টাকা।
৪. র‌্যাংগস ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড- ২৭.৪২ লাখ টাকা।
৫. বাটারফ্লাই মার্কেটিং লিমিটেড0- ২৩.১০ লাখ টাকা।
৬. আরএফএল ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড- ২১.৫৯ লাখ টাকা।
৭. ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড- ১৮.৮৫ লাখ টাকা।
৮. ডিউরেবল প্লাস্টিক লিমিটেড- ১৭.২১ লাখ টাকা।
৯. নাভানা ফার্নিচার লিমিটেড- ১৬.৫২ লাখ টাকা।
১০. রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড- ১৫.৮৬ লাখ টাকা।