ঢাকাThursday , 7 February 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাউকে খালি হাতে ফিরতে হবে না : অর্থমন্ত্রী

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেছেন, কাউকে খালি হাতে ফিরতে হবে না।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বাণিজ্য সংগঠন ও ব্যবসা-বাণিজ্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবসা ও শিল্প বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণ করতে ধারাবাহিক আলোচনার প্রথম পর্বে বসেছেন অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।
আলোচনার শুরুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আগত প্রতিনিধিরা তাদের পরিচয় দেন। পরিচয়পর্ব শেষে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, আপনাদের কাউকে খালি হাতে ফিরে যেতে হবে না।
তিনি বলেন, আমরা সবাই সরকারের অংশ। আমরা দেশের হয়ে কাজ করব। দেশের সমসাময়িক চাহিদা মেটাতে নতুন নতুন চিন্তাধারা নিয়ে কাজ করব।
মুস্তফা কামাল বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে বেসরকারি খাতের বিকল্প নেই। দেশের উন্নয়নে এ খাতের অবদান ৮০ থেকে ৮২ শতাংশ।
তিনি বলেন, বেসরকারি খাতের কিছু চ্যালেঞ্জ আছে সেগুলো আমরা শক্ত হাতে মোকিবেলা করতে চাই। সবার সহযোগিতায় দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। এই গুরুত্বপূর্ণ খাত ধরেই সামনে এগিয়ে যেতে চাই।
বেসরকারি খাতকে উন্নয়নের বড় খাত হিসেবে উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী এই খাতের দায়িত্ব সালমান এফ রহমানের হাতে দিয়েছেন। আশা করি, ব্যবসায়ীরাও তাকে সহযোগিতা করবেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, আমরা কিন্তু সবাই পার্ট অব দ্য পার্লামেন্ট (সংসদের অংশ)। আপনাদের নিয়েই আমরা এগোতে চাই। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বেসরকারি সেক্টর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভর করে আমরা এগোতে চাই।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনাসহ ব্যবসা ও শিল্প-বাণিজ্যের অধিকতর অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণের এই আলোচনায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটি, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স অ্যাসোসিয়েশেন, বাংলাদেশ ওষধ শিল্প সমিতি, ডিসিসিআই, এমসিসিআই, রিহ্যাব, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ, লেদার গুডস অ্যান্ড ওয়ার ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বারর্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রেডিয়েন্টস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা স্টক একচেঞ্জ, আইসিএমএবি, বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন, আইসিএসবি, ডিএসই ব্রোকার অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ।