ঢাকাThursday , 6 December 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হানাদারমুক্ত কুড়িগ্রাম

Link Copied!

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা : কুড়িগ্রাম মুক্ত দিবস আজ। একাত্তরের ৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনা, রাজাকার-আলবদরদের হটিয়ে কুড়িগ্রামকে মুক্ত করে।
স্বাধীনতা যুদ্ধের চুড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হলেও এ অঞ্চলে সেদিন উদিত হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরে সেই বিজয়ের স্মৃতিচারণ করতে যেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন সেদিনের বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ৬ ও ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল গোটা কুড়িগ্রাম অঞ্চল। শুধুমাত্র ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন রৌমারী ছিল মুক্তাঞ্চল। এখানেই ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প।
৬ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হাই এর নেতৃত্বে একে একে পতন হতে থাকে পাক সেনাদের শক্ত ঘাঁটিগুলো। মুক্ত হয় ভুরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, চিলমারী, উলিপুরসহ বিভিন্ন এলাকা। এরপর পাক সেনারা শক্ত ঘাঁটি গড়ে তোলে কুড়িগ্রাম শহরে। হাই বাহিনী কুড়িগ্রাম শহরকে মুক্ত করতে ৫ডিসেম্বর পাক সেনাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমনের পাশাপাশি মিত্র বাহিনীর বিমান হামলায় বেসামাল হয়ে পালিয়ে যায় পাক সেনারা। মুক্ত হয় কুড়িগ্রাম। মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাগত জানাতে হাজারো মুক্তিকামী মানুষ সেদিন মিলিত হয় বিজয় মিছিলে।
জোড়ালো আক্রমনে পাক হানাদার বাহিনীকে পিছু হটাতে পারার আনন্দ ও মুক্তিকামী মানুষের বিজয় উল্লাসের সে দিনটির কথা মনে করে আজো আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন মুক্তিযোদ্ধারা।
মুক্তিযোদ্ধা বীর প্রতীক আব্দুল হাই সরকার এর বীরত্বপুর্ণ সাহসিকতার কথা আজো মনে করে এখানের মানুষ।
সেদিনের স্মৃতিচারণে ৬ নং সাব সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হাই বীর প্রতীক বলেন, ‘৫ ডিসেম্বর থেকে কুড়িগ্রাম মুক্ত করতে পাক হানাদার বাহিনীকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলি। মুক্তিযোদ্ধাদের সারাশি আক্রমনে হানাদার বাহিনী পিছু হটতে থাকে। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে প্রথমে শহরের ওভারহেট পানির ট্যাংকে প্রথম পতাকা উত্তোলন করি।
কুড়িগ্রাম হানাদার মুক্ত দিবস পালন উপলক্ষে আজ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দলগুলো নানা কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।