নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাক্তন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা ড. হাছান মাহমুদের সম্পদ গত ৫ বছরে আগের চেয়েও কমেছে। নানা কারণে তিনি নিজের অনেক সম্পদ বেচে দিয়েছেন।
একাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরনীর হলফনামা থেকে জানা গেছে এসব তথ্য।
গত ১০ বছর ধরে ড. হাছান মাহমুদ জাতীয় সংসদ সদস্য। প্রথমবার জয়ী হয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন (৬ মাস), পরবর্তীতে সাড়ে ৪ বছর পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন। দ্বিতীয় দফা সাংসদ নির্বাচিত হয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হলফনামা সূত্রে জানা যায়, একাধিকবার মন্ত্রী এমপি হলেও ড. হাছান মাহমুদের নিজস্ব কোন বাড়ি বা ফ্ল্যাট নেই ঢাকা ও চট্টগ্রামে। ঢাকায় সাড়ে ৩ হাজার বর্গফুটের একটি অফিস ফ্লোর থাকলেও সম্প্রতি এটিও তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন আর্থিক প্রয়োজনে।
এছাড়া রাজনীতির বাইরে চট্টগ্রামে তার বিসমিল্লাহ মেরিন সার্ভিস নামে একটি ব্যাক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ড. হাছান মাহমুদ ও তার স্ত্রী এর যৌথ মালিকানায়। এই প্রতিষ্ঠানের নামে রাঙ্গুনিয়ায় ৩ একর জায়গা ক্রয় করা হয়। বর্তমানে সেই জায়গার বড় একটি অংশ দান করে দিয়েছেন এতিমখানার জন্য।
২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর মিলে ড. হাছান মাহমুদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। ২০১৮ সালে স্থাবর-অস্থাবর মোট সম্পদের পরিমাণ ১১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ৫ বছরে তার সম্পদ কমেছে ৪ কোটি ২৩ লাখ টাকার।
ড. হাছান মাহমুদের বার্ষিক আয় ২৬ লাখ ৬২ হাজার ৬০৩ টাকা। এর মধ্যে তার গাড়ি কেনার ঋণ এবং অন্যান্য পাওনাদারের কাছে ঋণ হিসেবে দেনা রয়েছেন এক কোটি ২১ লাখ টাকা। তার নিজের স্থাবর সম্পদ বলতে পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া চট্টগ্রাম শহরে এবং গ্রামের বাড়িতে দুটি বাড়ি। এগুলো মালিকানায় হাছান মাহমুদসহ তার সব ভাই-বোন।

