নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমানে দেশে আওয়ামী লীগ না করলে তার সরকারি চাকরি হয় না বলে অভিযোগ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।
রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাম গণতান্ত্রিক জোটের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ করেন।
মহাজোট সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক দুঃশাসন, জুলুম, লুটপাটের প্রতিবাদে এবং নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জোনায়েদ সাকি বলেন, শুধু সরকারি চাকরি নয়, ব্যবসা-বাণিজ্য তাদের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসে তারা লুটপাট করছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও দলীয়করণ করা হয়েছে। তারা যেভাবে কথা বলে, মনে হয়, তারা আওয়ামী লীগ করে। এমনকি কে কোন দল করবে, দলের নিবন্ধন সবকিছু গোয়েন্দা নিয়ন্ত্রণ করছে। এভাবে কোনো দেশ চলতে পারে না। এর পরিবর্তন আনতে হবে, এর পরিবর্তন আনতে হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি বলেন, দেশে উন্নয়নের কথা বলে লুটপাট করা হচ্ছে, আর তা বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দেশ থেকে ৬ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে।
বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না, অভিযোগ করে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘মানুষের ভরসার জায়গা হচ্ছে বিচার বিভাগ। সেই বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। দেশের প্রধান বিচারপতি যদি সুষ্ঠু বিচার না পায় তাহলে দেশের সাধারণ জনগণ কীভাবে সুষ্ঠু বিচার পাবে? এই সরকার যদি জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে না আনে তাহলে তাদের পরিণতি হবে ভয়াবহ, অতীতের স্বৈরাচারী সরকারের মতো।’
সমাবেশের পর মিছিল নিয়ে সচিবালয় ঘেরাও করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর ব্যারিকেডের মধ্যেই বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক সাইফুল হক, বাসদ নেতা বজলুল রশিদ ফিরোজ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম প্রমুখ।

