ঢাকাTuesday , 2 October 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকার বিপজ্জনক খেলায় মেতেছে

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকার বিপজ্জনক খেলায় মেতেছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নেতা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচন পাতানো করতেই বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে সরকার মামলা দিয়েছে।
মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন রিজভী।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সরকার প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার বিরোধী মত শুন্য করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। বিএনপি মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নামে হাতিরঝিল থানায় মামলা তারই বহিঃপ্রকাশ।
রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী সরকার আর কোনোভাবে বিরোধীদলের অস্তিত্ব মানতে পারছে না। তারা এখন ফ্যাসিবাদের উত্তুঙ্গ মাত্রায় পৌঁছে গেছে। ক্ষমতাকে যক্ষের ধনের মতো আঁকড়ে ধরে রাখার জন্য কুটিল রাজনীতি, ষড়যন্ত্র আর তঞ্চকতাই হচ্ছে আওয়ামী রাজনীতির পরিচিতি।’
‘সরকার প্রধানসহ আওয়ামী নেতাদের প্রতিদিনের ভাষা, সংলাপ, জবাব সন্ত্রাসী-ক্রুরতার আস্ফালন ছাড়া অন্য কিছু নয়। যাদের রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি পীড়ন আর রক্তপাত নির্ভর, তারা জনমতের ভয় করে না-জবাবদিহিতা তো দুরে থাক। এমনধারা নীতির কারণেই গত পরশু বিএনপির বিশাল জনসমাবেশের পর থেকে সরকার আরও বেশি ক্ষিপ্ত ও প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠেছে।’
বিএনপি নেতা বলেন, ‘জনসভা শেষে পাইকারি হারে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের পরও সরকারের পরিতৃপ্তি হয়নি। এরপর বিএনপির শীর্ষ নেতাদের তালিকা ধরে তাদের বিরুদ্ধে হাস্যকর মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। হাতিরঝিল থানায় পুলিশের কাজে বাধা ও নাশকতার মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। পতন নিশ্চিত জেনেও সরকার বারবার এ ধরণের বিপজ্জনক খেলায় মেতে উঠেছে।’
ফেসবুকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের দেয়া স্ট্যাটাসের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ক্ষমতাসীনদের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে-মান মর্যাদা, নীতি ও নৈতিকতার অধিকারী একমাত্র তারাই। এদেশে আর কোনো গুণী ব্যক্তি নেই, সব গুণের অধিকারী কেবল আওয়ামী নেতা ও মন্ত্রীরাই। শুধু দেশের সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলই নয়, বিভিন্ন নিরপেক্ষ পেশাজীবী সংগঠন, নাগরিক সমাজ এবং মুক্ত চিন্তার লেখক-কলামিষ্ট-শিল্পী সবারই নৈতিক মানদণ্ড বিচার করার একমাত্র অধিকারী সরকারের অতি ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরা। অর্থাৎ ক্ষমতাসীনদের যারা সমালোচনা করবে তারা হবে হীন, অমর্যাদাশালী, অকিঞ্চন, অন্ত্যজ ও ব্রাত্যজন।’ অন্তত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এমনটিই ভাবছেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে সম্পাদক পরিষদের নৈতিকতা নেই বলে জয় যে মন্তব্য করেছেন তার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিনিয়র সাংবাদিকরাই সম্পাদক পদে উন্নীত হন। তারা সমাজের সঙ্গতি-অসঙ্গতি, শুভ-অশুভসহ নানা বিষয় গণমাধ্যমে প্রতিফলনে প্রধান দায়িত্ব পালন করেন। সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতির নানা বিভাজন ও জটিলতা বিচার বিশ্লেষণ করে মানুষকে পথ দেখাতে অভিমত ব্যক্ত করেন। অথচ তথ্য উপদেষ্টার মতে এই সমস্ত গুণী ব্যক্তিদের নৈতিকতা নেই। তাহলে নৈতিকতা আছে কাদের?
সংবাদ সম্মেলনে সংসদে পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়েও কথা বলেন রিজভী। বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মৃত বাকশালের বিভিষিকাময় উত্থান। জনগণকে শত্রুপক্ষ মনে করে বলেই তাদের টুঁটি টিপে ধরতেই এই কালো আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। সরকারের অন্যায়-অনাচার-দুর্নীতির জারিজুরি ফাঁস বন্ধ করাই এই আইনের মূল লক্ষ্য।