চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন অভিযোগ করে বলেছেন, ‘উদ্ভট আর গায়েবি মামলা দিয়ে চট্টগ্রামের বিএনপি নেতা-কর্মীদের জেলে ঢোকানো হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘অনেক দিন আগে মারা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে বসবাস করছেন এমন নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধেও মামলা দেওয়া হচ্ছে। ভোটারবিহীন, একতরফা নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করতে সরকার বিএনপি নেতা-কর্মীদের এভাবে হেনস্তা করছে।’
শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়িস্থ মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহদাত হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. শাহাদাত বলেন, ‘চট্টগ্রাম নগরীর বক্সিরহাট এলাকায় একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে সম্প্রতি। আওয়ামী লীগের ছেলেরাই সে ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে নানাভাবে তথ্য এসেছে। আর সেই ধর্ষণ-মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে স্থানীয় যুবদল নেতা মনসুরকে। স্বেচ্ছাসেবক দলের মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন নেতা শওকত আজম খাজাকে ইয়াবা-মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবে প্রতিনিয়ত উদ্ভট সব অভিযোগে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে, তাদের চরিত্রহননের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
শাহাদাত বলেন, ‘বাকলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহীন গতকাল শুক্রবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত আমার সঙ্গেই ছিলেন। এরপর বাসায় গেছেন বিশ্রাম নিতে। সেখান থেকেই বিকেল ৪টায় তাকে গ্রেপ্তার করে গায়েবি মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকলিয়া থানার নেতাকে বন্দর থানায়, বন্দর থানার নেতাকে চকবাজার থানার মামলায় জড়ানো হচ্ছে।’
ডা. শাহাদাত বিএনপির কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, সুচিকিৎসা, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র, গায়েবি মামলা দিয়ে নেতা-কর্মী ও তাদের স্বজনদের হয়রানির প্রতিবাদে আগামী ৪ অক্টোবর বিকেল ৩টায় চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে চট্টগ্রাম নগর বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. আব্দুল মান্নান, আনোয়ার হোসেন লিপু, দপ্তর সম্পাদক ইদ্রিস আলী প্রমুখ।

