নিজস্ব প্রতিবেদক : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে সেগুলোকে ‘একতরফা নির্বাচনের আলামত’ হিসেবে মনে করছে বিএনপি।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে এক কথা বলেন, বিদেশে বলেন অন্যকথা। নিউ ইয়র্কে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেছেন, সব দলের অংশগ্রহণে বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা।’
‘কারণ এখনও পর্যন্ত আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সরকারের সব পদক্ষেপ একতরফা নির্বাচনেরই আলামত। কিন্তু এবার আর একতরফা নির্বাচন করার সুযোগ পাবে না সরকার’, বলেন তিনি।
রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে ২১ আগস্ট গ্রেনেড মামলা নিয়েও কথা বলেন বিএনপির এই নেতা।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সরকার ক্ষমতার উন্মাদনার মধ্যে থাকতে চায়, এজন্য যখন যেটা প্রয়োজন অর্থাৎ গুম, খুন থেকে শুরু করে মিথ্যা মামলায় বিরোধী নেতাদের ফাঁসাতে দ্বিধা করছে না। কারণ রাষ্ট্রযন্ত্র তাদের হাতের মুঠোয়। আর এই রাষ্ট্রযন্ত্রকে দিয়েই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বোমা হামলার মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে বিরোধীদল ও মতকে নির্মূলের চূড়ান্ত সীমায় উপনীত হয়েছে।’
সরকার প্রতিহিংসা থেকে তারেক রহমানকে ওই মামলায় জড়িয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘সরকার প্রধান তার পুঞ্জিভূত ক্রুরতা, চাতুরি, কুটিলতা ও রক্ত ঝরানো কর্মসূচি নিয়ে বিএনপির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। সেটির প্রথম টার্গেট করেছেন জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে। এই মামলায় তারেক রহমানের নাম জড়ানো বর্তমান সরকার প্রধানের প্রতিহিংসা পূরণের মাস্টারপ্ল্যান।’

