ঢাকাTuesday , 11 September 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শহিদুল আলমের জামিন নামঞ্জুর

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত এ আদেশ দেন।
আজ শহিদুল আলমের পক্ষে জামিন শুনানি করেন তার আইনজীবী এহেসানুল হক সমাজী, ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া, সারাহ হোসেন, রিপন কুমার বড়ুয়া প্রমুখ।
শুনানিতে তারা বলেন, শহিদুল আলমকে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তি আইনের মামলা দায়েরের পর আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে বলে আইনে বলা আছে। কিন্তু মামলা দায়েরের আগেই পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর মামলা দায়ের করে। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়। আমরা যেকোনো শর্তে তার জামিন চাচ্ছি। জামিন দিলে তিনি পলাতক হবেন না।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন। শহিদুল আলমের আরেক আইনজীবী জায়েদুর রহমান এসব তথ্য জানান।
এর আগে গত ১৪ আগস্ট শহিদুল আলমের জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী। ওই দিন আদালত জামিন শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করে দেন।
এদিকে গতকাল সোমবার ড. শহিদুল আলমের জামিন আবেদন এক দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার জন্য বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তার জামিনসংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
প্রসঙ্গত, গত ৬ আগস্ট শহিদুল আলমের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ১২ আগস্ট শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এরপর থেকে তিনি কারগারে রয়েছেন।
গত ৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে ডিবি পরিচয়ে একদল লোক শহিদুলকে অপহরণ করে বলে অভিযোগ করেন তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ।
উল্লেখ্য, দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ড. শহিদুল আলম চলমান ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। ওই সাক্ষাৎকারে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।