আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রবল বৃষ্টিপাতের কারনে সৃষ্ট বন্যায় মিয়ানমারে প্রায় ৫০ হাজার লোক বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। রোববার দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
বন্যায় বাস্তুচ্যুত লোকদের দেখতে শনিবার প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট মধ্য মিয়ানমারের বাগো অঞ্চল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি কর্মকর্তাদের আশ্রয় কেন্দ্র ও ত্রাণের পরিমাণ বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। বন্যার কারণে ওই অঞ্চলের প্রায় ১ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে মিয়ানমারের ভূমিধস ও কৃষিভূমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ২০১৫ সালে দেশটিতে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল। ওই বছর বন্যায় ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর গৃহহীন হয়ে পড়েছিল ৩ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ।
রোববার মিয়ানমারের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা কমিটি নদী ও সমতল এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়ার জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে।
মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারনে ২০০ ফিট দীর্ঘ একটি সেতুর অংশ ভেঙ্গে গেছে। কাইন রাজ্যের মধ্যাঞ্চলে ধানক্ষেত ও রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পশ্চিমের রাজ্য রাখাইনেও ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারনে সৃষ্টি বন্যায় রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। রেডক্রস টুইটারবার্তায় জানিয়েছে, তারা দুর্গতদের মাঝে ওষুধ, খাদ্য ও আশ্রয় উপকরণ বিলি করছে।

