ঢাকাSaturday , 21 July 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রোহিঙ্গা নির্যাতনে শিশু অধিকার কনভেশন লঙ্ঘন করেছে মিয়ানমার

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে মিয়ানমার জাতিসংঘের শিশু অধিকার কনভেশন লঙ্ঘন করেছে। সেভ দ্য চিলড্রেন নরওয়ের নিয়োগ দেওয়া আইন বিশেষজ্ঞরা জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর গবেষণা প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে।
গত বছরের আগস্টে নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি চৌকিতে রোহিঙ্গা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরসার হামলার জের ধরে রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন অভিযানে নামে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সেনাদের হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে এ পর্যন্ত সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধনের পাঠ্যপুস্তক উদহারণ’ বলে আখ্যা দিয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘের কয়েকটি সংস্থা ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মিয়ানমারের সেনারা রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা, গণধর্ষণ, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও নির্যাতন চালিয়েছে।
সেভ দ্য চিলড্রেন নরওয়ের নিয়োগ দেওয়া আইন বিশেষজ্ঞরা তাদের প্রতিবেদনে বলেছেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে ২০১৭ সালের আগস্টে পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে হামলার জবাবের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন জাতিসংঘের শিশু অধিকার কনভেশনের সাতটি প্রধান ধারার সাংবিধানিক লঙ্ঘন।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এতে মিয়ানমার সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনী উভয়ই দোষী। সেনাবাহিনীর অভিযানকে সহযোগিতা করতে সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রম ঠেকাতে কিংবা নিন্দা জানাতে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো প্রমাণ নেই।
প্রতিবেদনে যে বিধিগুলো লঙ্ঘনের কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, সহিংসতা, নির্যাতন, অবহেলা, যৌন ও অন্যান্য নির্যাতন থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেওয়ার ব্যর্থতা, অমাণবিক আচরণ ও আটক রাখা। এতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা শিশুদের নির্বিচার ও বিচারবর্হিভূত হত্যা ও নির্যাতন, নিষ্ঠুর আচরণ ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা।
প্রতিবেদনটির সহ-লেখক ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শরণার্থি আইনের ইমেরিটাস অধ্যাপক গাই গুডউইন-গিল বলেন, ‘ আমরা নিয়ম লঙ্ঘনের যে তালিকা পেয়েছি তা সম্পূর্ণ নয়। এতে কেবল গুরুতর লঙ্ঘনগুলো রয়েছে এবং এরকম আরো অনেক রয়েছে।’
১৯৯১ সালে মিয়ানমার জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ গ্রহণ করে এবং নিয়ম অনুযায়ী দেশটি এই সনদকে আইন হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য। সেভ দ্য চিলড্রেনের এই প্রতিবেদনের বিষয়ে মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনী তাৎক্ষনিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজী হয়নি।