ঢাকাFriday , 20 July 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নারী মুক্তির গল্প বলবেন রাজু-পুতুল

Link Copied!

বিনোদন ডেস্ক : ঢাকাই মঞ্চের দাপুটে তরুণ অভিনেতা রামিজ রাজু। পাশাপাশি টেলিভিশন নাটকেও নিয়মিত কাজ করছেন তিনি। এবার ‘অতঃপর মঞ্জুলিকা’ নামে একক নাটকে অভিনয় করলেন রাজু। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন আইনূন পুতুল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিষ্কৃতি কবিতা অবলম্বনে নাটকটির নাট্যরূপ দিয়েছেন রাজিবুল আহসান। এটি পরিচালনা করেছেন শুভ্র আহমেদ।
গল্প প্রসঙ্গে রাজু বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিষ্কৃতি কবিতাটি আমি অনেকবার পড়েছি। এ কবিতা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে নাটকটি। এই কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নারীর নিষ্কৃতির কথা বলেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময়ের একজন মেয়ে ও ২০১৮ সালের একজন মেয়ে। মাঝে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান। বদলে গেছে অনেক কিছু। কিন্তু নারীদেরকে এখনো অন্তর্মুখী করে রাখা হয়েছে। দুই সময়ের নারীদের মুক্তির দুটি গল্প সমান্তরালভাবে এই নাটকে বলার চেষ্টা করেছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের মায়েরা কত কী সহ্য করে সংসার করে, মায়ের পর মেয়েরা আবার সংসারটা কীভাবে করে? এক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের সময়েও যা ছিল, এখনো তাই আছে। এই টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে নাটকটির গল্প এগিয়েছে।’
নাটকের গল্পে পুলিন নামে একটি চরিত্র আছে। মঞ্জুলি নামে এক মেয়ের সঙ্গে তার ছোটবেলা থেকেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। সে পড়াশোনা করতে কলকাতায় চলে যায়। এদিকে মঞ্জুলিকে বিয়ে দিয়ে দেয় তার পরিবার। এক সময় মঞ্জুলি বিধবা হয়ে যায়। পুলিন মূলত এই মেয়েটিকে মুক্তির স্বপ্ন দেখায়। এই পুলিন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজু। আর মঞ্জুলি চরিত্রে দেখা যাবে আইনূন পুতুলকে।
বর্তমান সময়ে নায়ক-নায়িকা নির্ভর বেশি নাটক নির্মিত হচ্ছে। বাবা-মায়ের চরিত্র নাই বললেই চলে। এ নাটকে বাবা-মায়ের চরিত্রগুলো মূখ্যভাবে উপস্থাপনার মাধ্যমে নাটকটির গল্প তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান রাজু। নাটকের গল্পে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ। আর মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে নাজনীন চুমকিকে।
নাটকটি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রামিজ রাজু বলেন, ‘চিত্রনাট্য থেকে শুরু করে সব অভিনয়শিল্পীর পারফরম্যান্স খুবই ভালো হয়েছে। আমি নাটকটি নিয়ে খুবই আশাবাদী। আশা করি, দর্শকদেরও ভালো লাগবে।’
সম্প্রতি মানিকগঞ্জের জমিদার বাড়িতে নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে। নাটকটি প্রযোজনা করেছে ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ নামে নতুন একটি প্রতিষ্ঠান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে নাটকটি প্রচারিত হবে।