নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মহাপরিচালক সরদার আবুল কালাম বলেছেন, বৈধ ব্যবসায়ীদের খেয়াল রাখতে হবে, কারা অবৈধ ব্যবসা করছে। অবৈধ ব্যবসায়ীদের বিষয়ে বিএসটিআইকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইর প্রধান কার্যালয়ে বিশুদ্ধ পানি বাজারজাত নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সরদার আবুল কালাম বলেন, উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব বিশুদ্ধ পানি ভোক্তার হাতে পৌঁছে দেওয়া। যারা বিএসটিআই থেকে সনদ নিয়েছেন, তারা মানের বিষয়ে কোনো আপোশ করবেন না। আর যেসব প্রতিষ্ঠান বিএসটিআইর লাইসেন্স না নিয়ে পানি বাজারজাত করছে, তাদের বিরুদ্ধে বিএসটিআই বিভিন্ন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
তিনি বলেন, বৈধ লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের পানির জার বা বোতলের গায়ে ব্র্যান্ডের নাম এবং পূর্ণাঙ্গ ঠিকানাসহ মানসম্মত লেবেল ব্যবহার করতে হবে এবং ডিলারের মাধ্যমে পানি বাজারজাত বন্ধ করতে হবে।
সভায় জানানো হয়, ২০১৭ সালের মে থেকে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত অবৈধ ড্রিংকিং ওয়াটারের ওপর বিএসটিআই মোট ১৭টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে। এ সময়ে ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়, ১৬টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা এবং ৩৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদানসহ ২৬ হাজার ১০০টি জার ধ্বংস করা হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসটিআইর মহাপরিচালক সরদার আবুল কালাম। সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিএসটিআইর পরিচালক (সিএম) প্রকৌশলী এস এম ইসহাক আলী, অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ মিনারেল অ্যান্ড পিউরিফাইড ড্রিংকিং ওয়াটারের সভাপতি প্রকৌশলী এ মতিন চৌধুরী, পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আওলাদ হোসেন রাজীব, সাধারণ সম্পাদক কে এম আরিফ উল কবীর প্রমুখ।

