ঢাকাWednesday , 28 February 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আইএমএফ’র সঙ্গে পাঁচ বিষয় নিয়ে বৈঠক হবে

Link Copied!

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশ সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকিং খাতের পাঁচটি বিষয় নিয়ে বৈঠকে বসছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, আইএমএফ’র সঙ্গে যে পাঁচ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে তার মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্ম তৎপরতা ও ঝুঁকি প্রশমন চিত্র, রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের সঙ্গে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারক এবং ব্যাংক পুনর্মূলধন পরিকল্পনা, এর পরিচালনা পর্ষদ, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শাখা অটোমেশন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণের মধ্যমেয়াদি সংস্কার পরিকল্পনা এবং মন্দ ঋণের অবলোপন, অন্যান্য ব্যাংক সংস্কার কার্যক্রম এবং ক্যাপিটাল অ্যাকাউন্টের পথ নকশা।
সূত্র জানায়, আইএমএফ’র আর্টিকেল ফোর মিশনটি গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে এসেছে। তারা ৮ মার্চ পর্যন্ত অবস্থান করবে। বাংলাদেশে অবস্থানকালে মিশনটি অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে।
সূত্র জানায়, আইএমএফ’র পক্ষ থেকে সরকারি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হতে পারে। এ জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় একটি পরিসংখ্যানও তৈরি করেছে। এই পরিসংখ্যানে দেখানো হয়েছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, রূপালী, জনতা ও বেসিক ব্যাংকের মূলধন ঘাটতির পরিমান ছিল ৭ হাজার ৬২৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূলধন ঘাটতি ছিল সোনালী ব্যাংকের।
সূত্র জানায়, ওই সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতির পরিমাণ ৩ হাজার ১৪০ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এরপর সবচেয়ে বেশি ঘাটতি বেসিক ব্যাংকের ২ হাজার ৫২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মূলধন ঘাটতিতে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত অন্য দুই ব্যাংকের মধ্যে জনতা ব্যাংকের ঘাটতি ১ হাজার ২৭২ কোটি ৯৩ লাখ ও রূপালী ব্যাংকের ৬৮৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা। মূলধন ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার ২০০৫-২০০৬ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে ১০ হাজার ২৭২ কোটি টাকার পুনঃমূলধনীকরণ সুবিধা দিয়েছে।
সূত্র জানায়, আইএমএফ’র পক্ষ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণ নিয়ে প্রশ্ন করা হতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। এর সঙ্গে ঋণ অবলোপনকৃত অর্থের পরিমাণ ৪৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা।
সূত্র জানায়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে কারা রয়েছে তাদের একটি তালিকা প্রণয়ণ করা হয়েছে। আইএমএফ’র পক্ষ থেকে চাওয়া হলে এই তালিকা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।