নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট জেনারেল কিউ সোয়ে।
শুক্রবার দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে যায়। সচিবালয়ে তাদের লালগালিচা ও গার্ড অব অনার সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে ছিলেন। বৈঠকে বাংলাদেশের ১৭ সদস্য এবং মিয়ানমারের ১৪ সদস্য অংশ নিয়েছে। মাগরিবের নামাজের আগ দিয়ে বৈঠক শেষ হয়।
বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আশ্রিত প্রায় ১১ লাখ মিয়ানমারের অধিবাসী রোহিঙ্গার মধ্যে ১৮শ’ পরিবারের তালিকা দেশটির প্রতিনিধি দলের হাতে তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ। তারা এ তালিকা যাচাই-বাছাই করে কবে থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করবে, তা জানিয়ে দেবে।
বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তাদের জানিয়েছি, মিয়ানমার থেকে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। কফি আনানের রিপোর্টের ভিত্তিতে তাদের মিয়ানমারে থাকা, খাওয়া, নিরাপত্তাসহ সব ধরনের নিশ্চয়তা বিধান করে সবাইকেই ফিরিয়ে নিতে হবে। প্রতিনিধি দল বলেছে, তারা পরিবারের তালিকা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে তিন ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করে ফিরিয়ে নেবে। এ পর্যন্ত যা আলোচনা হয়েছে তাতে আমরা আশাবাদী।’
শুক্রবার দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে যায়। সচিবালয়ে তাদের লালগালিচা ও গার্ড অব অনার সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে ছিলেন। বৈঠকে বাংলাদেশের ১৭ সদস্য এবং মিয়ানমারের ১৪ সদস্য অংশ নেয়। মাগরিবের নামাজের আগ দিয়ে বৈঠক শেষ হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা নাগরিকদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি ছিল বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়। এ ছাড়া ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক পাচার ও চোরাচালান বন্ধ, সীমান্ত সমস্যা সমাধান এবং সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

