চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রামে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানি উপলক্ষে আয়োজিত মেজবানে পদদলিত হয়ে নিহত ১০ জনের পরিচয় মিলেছে। মঙ্গলবার সকালে নিহতদের পরিবারের কাছে তাদের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহতরা হলো- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র চকরিয়া উপজেলার বড়ইতলী এলাকার সনাতন দাশের ছেলে দিপঙ্কর দাশ রাহুল (২৩), উত্তর কাট্টলীর মৃত রায়চরণ দাশের ছেলে কৃষ্ণপদ দাশ (৩৫), নগরীর কোতোয়ালি থানার পাথরঘাটা মধ্যম নোয়াপাড়ার লাল দাশের ছেলে সুধীর দাশ (৫০), গোসাইলডাঙ্গার মনোরঞ্জন তালুকদারের ছেলে প্রদীপ তালুকদার (৫৫), রাউজান নোয়াপাড়া এলাকার অধিবাসী আশীষ বড়ুয়া (৩৮), নগরীর জামাল খান বাই লেনের বিনোদ বিহারী দাশের ছেলে ঝন্টু দাশ (৪৫), বাঁশখালী বইলছড়ির মনীন্দ্র শীলের ছেলে ধনা শীল (৫০) ও একই এলাকার টিটু দাশ (৩০), আনোয়ারার মোহছেন আউলিয়া গ্রামের প্রকৃতি রঞ্জন দেবের ছেলে লিটন দেব (৫০) এবং সীতাকুণ্ড উপজেলার ছোট কুমিরা এলাকার চন্দ্র মোহন ভৌমিকের ছেলে অলক ভৌমিক (৩৫)। নিহতদের সবার নাম পরিচয় নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক মো. হামিদ।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের রীমা কনভেনশন সেন্টারে সদ্য প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানি উপলক্ষে আয়োজিত মেজবানে ভিড়ের চাপে পদদলিত হয়ে ১০ জন নিহত হয়। ওই কনভেনশন সেন্টারে মুসলিম ছাড়া ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের জন্য ভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। রীমা কনভেনশন সেন্টার ছাড়াও নগরীর আরো ১৩টি পৃথক ভেন্যুতে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের জন্য এই মেজবানের আয়োজন হয়।

