ঢাকাFriday , 3 November 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলাদেশ-ফিলিপাইন সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য বিরাজমান

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সাদৃশ্য বিরাজমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। শুক্রবার রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক এলাকায় দি এসকট প্যালেসে ঢাকাস্থ ফিলিপাইন দূতাবাস আয়োজিত বৈকালিক কবিতা পাঠ ও গুণগ্রাহীতার আসর ‘বাসাবালক’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত ভিনসেন্ট ভিভেনসিও তেজামো বেন্দিলো।
তিনি বলেন, ফিলিপাইনের শতাধিক ভাষা যেমন দেশটির সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য এনেছে, তেমনি বাংলাদেশের হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে করেছে বৈচিত্র্যপূর্ণ ও সমৃদ্ধ। একমাত্র বাঙালি জাতি ভাষার জন্য সংগ্রাম করে বিশ্বের দরবারে বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এর স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ কবিতা ও গানের দেশ। প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারিতে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সকাল ৭টা থেকে দিনব্যাপী কবিতা পাঠ বা আবৃত্তি করা হয়, যেখানে যে কেউ কবিতা পাঠ করতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, ফিলিপাইনের সংস্কৃতি যথেষ্ট সমৃদ্ধ। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবে ফিলিপিনো কবিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ফিলিপাইনের কবিতার ইতিহাস মূলত চারটি সময়কালে বিভক্ত : প্রি-হিস্পানিক ফোক পিরিয়ড, স্প্যানিশ পিরিয়ড, আমেরিকান পিরিয়ড ও সমসাময়িক। অনুষ্ঠানে প্রতিটি সময়কালের কবিতা পাঠ করে শোনানো হয়।
উল্লেখ্য, বাসাবালক অনুষ্ঠান আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ফিলিপাইনের কবিতা সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা ও বিশ্বব্যাপী তা ছড়িয়ে দেওয়া। একইসঙ্গে ফিলিপাইনের বৈচিত্র্যপূর্ণ সাহিত্য, সংস্কৃতির উন্নয়ন ও প্রসার এবং বিভিন্ন বিদেশি ভাষায় অনুবাদের মাধ্যমে ফিলিপাইনের কবিদের সৃজনশীলতা সারা পৃথিবীতে বিস্তৃত করা।