ঢাকাFriday , 27 October 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সৌম্যর যেখানে আক্ষেপ

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে তার ব্যাটে রান নেই। এরপর দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজেও সেটা অব্যাহত থেকেছে। অবশেষে টি-টোয়েন্টিতে হাসল সৌম্য সরকারের ব্যাট। তবে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তার ৩১ বলে ৪৭ রানের দারুণ ইনিংসটা বৃথা গেছে দল হেরে যাওয়ায়। বাঁহাতি ওপেনার মনে করেন, মিডল অর্ডারে কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারলে বাংলাদেশ জিততেও পারত।
১৯৬ রান তাড়ায় সৌম্যর দারুণ ব্যাটিংয়ে একটা সময় জয়ের স্বপ্নই দেখছিল বাংলাদেশ। ৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ২ উইকেটে ৯২। কিন্তু পরের ওভারের প্রথম বলে সৌম্য আউট হওয়ার পরই পথ হারায় বাংলাদেশ। ২ উইকেটে ৯২ থেকে দ্রুতই বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ৫ উইকেটে ১০৫! মিডল অর্ডারে কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তিন থেকে ছয় নম্বরে নামা সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান ও মাহমুদউল্লাহর সম্মিলিত রান ৪৮! কাল প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ২০ রানের হারে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে জয় অধরাই থাকল বাংলাদেশের।
ম্যাচ শেষে মিডল অর্ডারে কেউ বড় ইনিংস খেলতে না পারার জন্য আক্ষেপ করলেন সৌম্য, ‘শেষ ১০ ওভারে তিন থেকে ছয় নম্বরের কেউ যদি বড় ইনিংস খেলতে পারত, তাহলে এটা আমাদের সাহায্য করত। তখন উইকেটে আমাদের একজন সেট ব্যাটসম্যান থাকত, যা আমাদের জন্য সহজ হতো। ওরা প্রায় ২০০ রান করেছে। আমরাও ১৭৫ করেছি। মাঝে যদি একজন ব্যাটসম্যান ভালো করত, আমরা ম্যাচটা সহজেই জিতে যেতাম। তবে এখান থেকে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে যে, আমরা ২০০ রান করতে পারি।’
বাংলাদেশের আরেকটি সমস্যা ছিল বেশি ডট বল খেলা। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে ডট বল ২৩টি, সেখানে বাংলাদেশের ইনিংসে ডট বল ৪৪টি! ডট বলের সংখ্যাটা কমাতে হবে বলে মনে করেন সৌম্য, ‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ডট বল অনেক বড় একটা সমস্যা। পরের ম্যাচে এটা আমাদের কমাতে হবে। এমনকি আমরা যখন বোলিং ও ফিল্ডিং করব, আমাদের রান বাঁচাতে হবে। নো বল করা যাবে না, যেটা না আবার চার হয়ে যায়। ওরা যদি ২০ রান কম করত, ১৭০ রান হলে ভিন্ন কিছুও হতে পারত।’