ঢাকাFriday , 21 July 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উইম্বলডনেও ফিক্সিংয়ের কালো ছায়া!

Link Copied!

স্পোর্টস ডেস্ক : ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কালোছায়া এবার এসে পড়লো উইম্বলডনের মত একটি অভিজাত টেনিস টুর্নামেন্টেরন ওপরও! সদ্য সমাপ্ত উইম্বলডন ওপেনের অন্তত তিনটি ম্যাচকে ফিক্সিংয়ের সন্দেহে নিয়ে আসা হচ্ছে আতশী কাঁচের নিচে। ফিক্সিংয়ের সন্দেহে তিনটি ম্যাচ নিয়ে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে টেনিস ইন্টিগ্রিটি ইউনিট (টিআইইউ), যারা আন্তর্জাতিক টেনিসের উপর কড়া নজরদারি করে। শুধু উইম্বলডনই নয়, ফ্রেঞ্চ ওপেনেও নাকি ফিক্সিংয়ের গন্ধ পাওয়া গিয়েছে।
একটা-দুটা নয় তিন-তিনটে ম্যাচে সন্দেহজনক কিছু ঘটনা দেখা গিয়েছে, যার ফলে নাকি এই ম্যাচগুলিতে ফিক্সিংয়ের সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। এর মধ্যে একটা ম্যাচ মূল ড্রয়ের ম্যাচ। বাকি দুটো বাছাই পর্বের। তবে কোন কোন ম্যাচ, তা এখনও বলা হয়নি।
টিআইইউ’র ওয়েবসাইটে এই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। যারা বিভিন্ন ম্যাচের ঘটনাপ্রবাহ পরীক্ষা করার পর খতিয়ে দেখে, সেই ম্যাচে কোনও অসদুপায় অবলম্বন করা হয়েছে কি না। এর সঙ্গে বাজি ধরার ধরনও পরীক্ষা করা হয়। যখনই দেখা যায় অস্বাভাবিকভাবে কোনও খেলোয়াড়ের ওপর বাজি ধরা হয়েছে, তখনই সেই ম্যাচ নিয়ে তদন্ত শুরু করে এই সংস্থা।
টিআইইউ বলছে, ‘টিআইইউর ম্যাচ অ্যালার্ট নীতিতে যে ম্যাচগুলো নিয়ে কিছুটা সন্দেহ দেখা দিয়েছে সেগুলো নিয়ে আমরা পর্যবেক্ষণ করে দেখবো।’
শুধু উইম্বলডনেই নয় ফরাসি ওপেনের একটি ম্যাচেও নাকি এমন অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাওয়া গেছে। সে ম্যাচটি নিয়েও তদন্ত চলছে। এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৮৩টি এমন সন্দেহজনক বৈশিষ্ট্যের খবর তাদের কাছে এসেছে বলে টিআইইউ জানিয়েছে।
গত বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে ব্রিটিশ মিডিয়ার একাংশ দাবি করেছিল, টেনিস বিশ্বে ম্যাচ ফিক্সিং হয়। তখন লক্ষ্য করা হয়েছিল টেনিসের বাজিতে প্রায়ই নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে বেশি বাজি ধরছে কিছু খেলোয়াড়ের উপর এবং তারা জিতছেও। এই সন্দেহজনক ব্যক্তিরা সারা বছর নিয়মিত টেনিসে বাজি ধরে না। মাঝে মাঝে তারা বাজি ধরে। এরাই অস্বাভাবিকহারে বাজি ধরে ও বিপুল পরিমান অর্থ জিতে ফের উধাও হয়ে যায়। এবারও সে রকমই সন্দেহজনক কিছু পাওয়া গিয়েছে কি না, সেটাই প্রশ্ন।