ঢাকাSaturday , 1 July 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তিস্তার পানি বিপদসীমার উপরে

Link Copied!

নীলফামারী প্রতিনিধি : উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শনিবার সকাল ৬টা থেকে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার (৫২ দশমিক ৪০ মিটার) ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
চলতি বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ এই প্রথম বিপদসীমা অতিক্রম করলো। তবে উজান হতে যে ঢল আসছে তা কাঁদামাটি মেশানো বলে পানি খুবই ঘোলা।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের সব ক’টি (৪৪টি) জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
এদিকে তিস্তায় পানি প্রবাহ বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গয়াবাড়ি এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি, শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের বিস্তৃর্ণ এলাকার ২৫টি চর পানিতে তলিয়ে গেছে।এতে এসব গ্রামের অন্তত ১০ হাজার পরিবার বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছেন বলে জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা, কালিগঞ্জ উপজেলার নদী বেস্টিত চর ও গ্রামগুলোও প্লাবিত হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীতে বন্যা দেখা দিয়েছে। সকাল ৬টায় বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে নদীর পানি প্রবাহিত হলেও সকাল ৯টায় তা ৫ সেন্টিমিটার কমে এসেছে।
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান জানান, ফরেস্টের চরের ১৫টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে।
পূর্ব ছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, ঝাড়সিংশ্বর এলাকার বসতবাড়িতে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। তিস্তাবেষ্টিত চর ও গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। অপরদিকে জলঢাকার ডাউয়াবাড়ি, হলদিবাড়ি, গোপালঝাড়-আলসিয়াপাড়া এলাকায় বন্যার পানির স্রোতে ভাঙন দেখা দিয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ‘উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করলেও এখন পানি কমে আসছে। আমরা সর্তক অবস্থায় রয়েছি। পাশাপাশি তিস্তার চর ও গ্রামগুলোর খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।