ঢাকাSunday , 28 May 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনায় বেড়িবাঁধ ভেঙে তিন গ্রাম প্লাবিত

Link Copied!

খুলনা প্রতিনিধি : খুলনার কয়রা উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ১৪/১ নম্বর পোল্ডারের হরিণখোলা এলাকায় কপোতাক্ষ নদের বাঁধ ভেঙে তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জোয়ারের চাপে প্রথমে দুর্বল বাঁধের প্রায় ৫০ মিটার ধসে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরে ভাঙনের পরিধি বেড়েছে। গভীর রাতে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় গ্রামবাসীর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেকেরই ঘরের আসবাবপত্র, ধান, চাল পানিতে ভেসে গেছে। রোববার সকাল থেকেই ভাঙন সংস্কারের জন্য সেখানে গ্রামবাসী নিজ উদ্যোগে কাজ করে যাচ্ছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল গফ্ফার ঢালী জানান, বাঁধটি রাতের জোয়ারের আগে বাঁধা সম্ভব না হলে উপজেলা সদরসহ আরো কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হবে।
কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, ভেঙে যাওয়া বাঁধের ওই অংশ আগে থেকেই দুর্বল ছিল। যে কারণে নদীতে জোয়ারের পানির চাপ বাড়ার সাথেই তা ভেঙে গেছে। এ মুহূর্তে ইউনিয়নের হরিণখোলা, গোবরা ও ঘাটাখালি গ্রামের প্রায় ৪৫০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তা ছাড়া চিংড়ি ঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় এক কোটি টাকার চিংড়ির ক্ষতি হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, বাঁধের ওই অংশসহ প্রায় দেড় কিলোমিটার বরাবর দুর্বল থাকা স্বত্বেও পাউবো স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি। সেখানে এর আগেও দুবার ভেঙেছে এবং গ্রামবাসীর প্রচেষ্টায় তা বাঁধা হয়েছে। এবার ভাঙনের গভীরতা বেশি হওয়ায় তা ঠেকানো অসম্ভব বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
পাউবোর সেকশন কর্মকর্তা (এসও) খায়রুল ইসলাম বলেন, এর আগেও ওই এলাকায় ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামতের জন্য বরাদ্দ চেয়ে পাঠানো হয়েছে। এখনো তার অনুমোদন আসেনি। বরাদ্দ না থাকায় তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বদিউজ্জামান জানিয়েছেন, বিষয়টি পাউবোকে জানানো হয়েছে। এ মুহূর্তে গ্রমবাসী বাঁধ আটকাতে কাজ করছে।